Showing posts with label ব্যবসা. Show all posts
Showing posts with label ব্যবসা. Show all posts

ভাল আয়ের পথ হতে পারে ফার্মেসী ব্যবসা

ভালো আয়ের পথ হতে পারে ওষুধের দোকান। পাড়া-মহল্লাতেই দিতে পারেন ওষুধের দোকান। ফার্মেসি দিতে চাইলে আপনাকে একটা ফাউন্ডেশন কোর্স করতে হবে, দোকান নিতে হবে। দোকানের ব্যবস্থা হলে ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য সরকারের ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তরে আবেদন করতে হবে।

ফার্মাসিস্ট ফাউন্ডেশনের কোর্স
ড্রাগ লাইসেন্সের রেজিস্ট্রেশন হয় তিনটি ক্যাটাগরিতে। গ্রাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের দেওয়া হয়  ক্যাটাগরির লাইসেন্স, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের দেওয়া হয় বি  ক্যাটাগরির লাইসেন্স এবং দুই মাসের শর্টকোর্স সম্পন্নকারীদের দেওয়া হয় সি  ক্যাটাগরির লাইসেন্স। দুই মাসের শর্টকোর্সটি করানো হয় বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির তত্ত্বাবধানে। দেশের ৬৪টি জেলাই রয়েছে এই সমিতির শাখা।
ঢাকার মিটফোর্ড রোডে অবস্থিত সমিতির প্রধান কার্যালয় ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে রয়েছে এর ১৭টি উপশাখা। এর যেকোনো একটি থেকে কমপক্ষে এসএসসি পাসকৃতরা কোর্সটি করতে পারেন। সর্বমোট ৪০টি ক্লাস করানো হয়। ক্লাস শেষে দুই ঘণ্টার একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এ কোর্সটির ফি সর্বমোট এক হাজার ৭৫০ টাকা। যেহেতু প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি করার নির্দষ্টি কোনো সময় নেই, তাই যারা এ কোর্সটি করতে চান তাদের নিকটস্থ শাখায় নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।

ড্রাগ লাইসেন্স করতে

ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে বেশ কিছু কাগজও জমা দিতে হবে। এর মধ্যে আছে-
ট্রেড লাইসেন্স
চেয়ারম্যান প্রদত্ত নাগরিকত্বের সনদ
ব্যাংক সলভেন্সি সনদ
দোকানসংক্রান্ত কাগজপত্র (নিজস্ব দোকান হলে দোকানের দলিলপত্র বা ভাড়া নেওয়া হলে চুক্তিসংক্রান্ত কাগজপত্র)
এক হাজার ৫০০ টাকার ট্রেজারি চালান
যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফার্মেসি বিষয়ে সম্মান শ্রেণী পাসের সনদ অথবা প্যারামেডিক্যাল থেকে ডিপ্লোমা পাসের সনদ অথবা ফার্মাসিস্ট ফাউন্ডেশন কোর্সের সনদ।

দরকার পুঁজি
আসবাবপত্র এবং ওষুধ কেনার জন্য প্রাথমিকভাবে এক লাখ টাকা পুঁজি থাকলেই ওষুধের দোকান দেওয়া সম্ভব। সে ক্ষেত্রে বেশি প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো দিয়েই শুরু করতে হবে। খুব বেশি দামি এবং অপ্রচলিত ওষুধ প্রাথমিকভাবে না রাখাই উচিত।

দোকান সাজান
দোকানের আকারের সঙ্গে সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওষুধ রাখার তাক বানাতে হবে। কিছু সাধারণ পরীক্ষণ যন্ত্র, যেমন থার্মোমিটার (তাপমাত্রা মাপক যন্ত্র), স্টেথিস্কোপ (হূদস্পন্দন মাপক যন্ত্র), স্ফিগমোম্যানোমিটার (রক্তচাপ মাপক যন্ত্র) রাখতে হবে।

কোথা থেকে কী কিনবেন
কাছের যেকোনো কাঠের দোকান থেকে তাক তৈরি করাতে পারবেন। ওষুধ কিনতে হলে আপনাকে যেতে হবে ঢাকার মিটফোর্ড রোডে। এখানে আপনি সব ধরনের ওষুধ পাইকারি দরে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া কম্পানি থেকেও সরাসরি কিনতে পারেন। তবে কম্পানি থেকে কিনতে চাইলে প্রতিটি ওষুধ আপনাকে এক বাক্স কিনতে হবে।
স্টেথিস্কোপ, থার্মোমিটার, স্টিগমোম্যানোমিটারের জন্য যেতে হবে জাতীয় প্রেসক্লাবের বিপরীতে তোপখানা রোডে অবস্থিত বিএমএ ভবনে।

দরদাম
আকার অনুযায়ী ওষুধের তাক বানাতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ পড়বে। স্বয়ংক্রিয় থার্মোমিটারের দাম পড়বে ৪০ থেকে ১০০ টাকা। স্টেথিস্কোপ এবং স্ফিগমোম্যানোমিটার দুটি একসঙ্গে এবং আলাদাভাবে কিনতে পাওয়া যায়। একসঙ্গে সাধারণ যন্ত্রটির দাম পড়বে এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার টাকা। স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রটি পাওয়া যাবে তিন হাজার ৮০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে। আলাদাভাবে কিনতে গেলে প্রতিটি স্টেথিস্কোপের দাম পড়বে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা আর স্ফিগমোম্যানোমিটারের দাম পড়বে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা। বাংলাদেশে থাইল্যান্ড, চীন এবং জাপানের তৈরি এসব পরিমাপক যন্ত্র পাওয়া যায়। তবে জাপানের তৈরি যন্ত্রই ভালো।

ওষুধ সংরক্ষণ পদ্ধতিও জানা থাকতে হবে

এ ব্যাপারে জনাব ওমর ফারুক কি বলেন দেখি, তিনি স্বত্বাধিকারী, স্টার মেডিক্যাল, গ্রীণ রোড, ঢাকাতিনি বলেন ফার্মেসি দিতে চাইলে বিভিন্ন ওষুধ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে। শুধু ওষুধের নাম জানলেই হবে না। কোন ওষুধ কী কাজে লাগে সে সম্পর্কেও জানতে হবে। প্রথম দিকে অল্প পুঁজি দিয়েও ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সাধারণ দোকানের তুলনায় ফার্মেসি বেশ সম্মানজনক ব্যবসা। এখানে লাভও ভালো। কম্পানিভেদে বিক্রির উপর ১২ থেকে ১৩ পার্সেন্ট লাভ থাকে। এ হিসাবে প্রথম দিকে দুই লাখ টাকা পুঁজিতে মাসে দশ থেকে পনের হাজার টাকা লাভ থাকে। রোগীরা চাইলেও অনুমানে কোনো ওষুধ বিক্রি করা ঠিক হবে না। কিছু কিছু ওষুধ ফ্রিজে না রাখলে নষ্ট হয়ে যায়, তাই ওষুধ ভালোভাবে সংরক্ষণ পদ্ধতিও জানা থাকতে হবে। একই ক্যাটাগরির বিভিন্ন কম্পানির ওষুধ একসঙ্গে রাখলে খুঁজে পেতে সুবিধা হবে

আত্মনির্ভরশীলতায় বুটিক হাউস


গতানুগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরির আশায় বসে না থেকে ভিন্নধর্মী পেশা বা ব্যবসায় নিয়োজিত হলে খুব সহজেই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া যায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বুটিক হাউসের ব্যবসার চাহিদা ব্যাপক। ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে এ সেক্টরটি। তা ছাড়া তরুণ-তরুণীরা ফ্যাশনের প্রতি বেশি সচেতন হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে তাদের এই সচেতনতার ওপর নির্ভর করে দেশে গড়ে উঠছে অনেক ফ্যাশন হাউস, বুটিক হাউস, জরি হাউস ইত্যাদি। দেশের ফ্যাশন বিপ্লবে তরুণদেরই জয়-জয়কার। রাজধানী পেরিয়ে ফ্যাশনের এই বিপ্লব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রতিটি ছোট-বড় শহরে। ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সৃজনশীল তরুণদের জন্য বুটিক হাউসের ব্যবসা হতে পারে কর্মসংস্থানের অন্যতম উপায়। বুটিক হাউসকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করে যে কেউ হতে পারেন আত্দনির্ভরশীল ও মর্যাদাবান। সেই সঙ্গে বদলাতে পারেন নিজের ভাগ্য। উন্নতির ছোঁয়া লাগতে পারে ক্যারিয়ারে। গতানুগতিক চাকরির আশায় না থেকে যদি নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে এরকম বুটিক হাউস গড়তে পারি তাহলে ভাগ্য বদলে যেতে পারে।
প্রাথমিক প্রস্তুতি : যে কোনো ব্যবসা শুরুর আগে দরকার প্রস্তুতি। সৃজনশীলতা, হাউস বা দোকানের অবস্থান, বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে আপনাকে এ ব্যবসায় নামতে হবে। ভালো হয় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। এটি সহায়ক ভূমিকা রাখে।
পরিকল্পনা : কত টাকা লাগবে, কোথায় ব্যবসাটি লাভজনক হবে, কোন ধরনের পোশাক প্রস্তুত করবেন, কাপড় বা পোশাকে ব্যবহৃত পণ্যগুলো কোথায় পাওয়া যাবে ইত্যাদি জেনে এদের প্রয়োজনীয় ঠিকানা ও ফোন নম্বর জোগাড় করে তবেই বুটিক ব্যবসায় নামা উচিত। সবশেষে প্রয়োজনীয় অর্থ, মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিয়েই যে কোনো বুটিক ব্যবসায় নামা ভালো। কারণ সবার আগে মনের জোরই আসল।
যেভাবে শুরু করবেন : সৃজনশীল মানুষের জন্য বুটিক ব্যবসা হতে পারে একটি আদর্শ পেশা। ছোটখাটো ব্লক বা বুটিকের জন্য প্রাথমিক পুঁজি ৫০-৬০ হাজার টাকার মতো লাগবে। দক্ষ ২-৩ জন কর্মচারী খুঁজে বের করতে হবে, যিনি মেশিনে কাপড় তৈরি ও সেলাই করবেন। এ ছাড়া ব্লক বুটিকের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন_ টেইলারিং মেশিন, কাঠের ডাইস, রং, বিভিন্ন রংয়ের সুতা, সুই ও সবশেষে কাপড় লাগবে। এসব পণ্য কেনা যাবে ঢাকার গাউছিয়া, চকবাজার, চাঁদনীচক, নিউমার্কেটের দোকানগুলোতে। পণ্য কেনার আগে একজন দক্ষ লোকের সহায়তা নিলে উপকৃত হবেন। বুটিক হাউসে বিনিয়োগ নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানটি কোথায়, কী আকারে, কী ধরনের করবেন, কী ধরনের ক্রেতা আকর্ষণ করবেন তার ওপর।
বাজারজাতকরণ : দেশে এবং দেশের বাইরে বুটিক হাউসের নিজস্ব পোশাকের যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে সেটি নির্ভর করে পণ্যের ডিজাইন, কাপড়ের সেলাই, গুণগত মান, আধুনিকতা ও ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার ওপর। ক্রেতাদের সন্তুষ্টি এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেই পণ্যটি ভালো চলবে। শুরুতে আত্দীয়-স্বজন, প্রতিবেশী বা মহল্লার সবাইকে জানিয়ে ব্যবসাটি আরম্ভ করা ভালো। এতে একটা নিজস্ব ক্রেতাগোষ্ঠী গড়ে উঠবে। কম মূল্যে একটি ভালো ও আধুনিক মানের পোশাক সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই দিন দিন সুনাম ও ব্যবসা বাড়বে।
যোগাযোগ : পোশাক তৈরি শেষে এগুলো বিক্রির
জন্য বড় বড় পাইকারি মার্কেট, চকবাজার বা নিউমার্কেটের অভিজাত দোকানগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন। নিজস্বতা প্রমাণ করে এসব প্রতিষ্ঠানে পাইকারি হারে পোশাক সরবরাহ করতে হবে। খরচ বাদে লাভের একটা অংশ নির্দিষ্ট করেই পোশাক
বাজারে ছাড়তে হবে।
প্রশিক্ষণ : বুটিক হাউস তৈরি বা এ ব্যবসা শুরু করার আগে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্স সম্পন্ন করে পা রাখতে পারেন এ সেক্টরে। বদলাতে পারেন আপনার ভাগ্য, গড়তে
পারেন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। সবচেয়ে বড় কথা হলো আত্দনির্ভরশীল হওয়া যায়।
সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

পুতুলের দোকান



জন্মদিন ছাড়াও বিশেষ দিনগুলোতে পুতুলের বেশ চাহিদা থাকে। তাই শুধু পুতুল বিক্রির ছোট্ট একটি দোকান দিতে পারেন আপনিও। বিস্তারিত জানাচ্ছেন সিদ্ধার্থ সাই

 হলমার্ক, আর্চিজসহ ঢাকার নিউ মার্কেট ও চাঁদনি চকের দোকানগুলোতে পুতুলের আলাদা র‌্যাক থাকে। চাহিদা আছে বলেই এর এত কদর। পুতুলের বড় একটি অংশ আসে চীন থেকে। তবে আজকাল আমাদের দেশেও তৈরি হচ্ছে নানা রকম পুতুল। দামও কম।

যেভাবে শুরু করবেন
দশ ফুট বাই দশ ফুট একটা দোকান হলে চলবে। পুতুল সাজিয়ে রাখতে করতে হবে জুতসই র‌্যাক। আর প্রয়োজন মতো লাইট। এ ছাড়া ডেকোরেশন কিভাবে করবেন? আইডিয়ার জন্য অন্যান্য গিফটের দোকানের ডেকোরেশন দেখে নিতে পারেন। শহরের মধ্যে হলে সিটি করপোরেশন অথবা পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। সব মিলিয়ে ৫০ হাজার টাকা পুঁজি হলেই চলবে।

কোথায় পাবেন পুতুল
দেশি পুতুলের জন্য যেতে পারেন ঢাকার কামরাঙ্গীরচর কিংবা নবাবগঞ্জে। এখানে অনেক পুতুল তৈরির কারখানা আছে। চকবাজারে আছে পুতুলের পাইকারি দোকান। ইমামগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ার গিফট সামগ্রীর সবচেয়ে বড় মার্কেট। এখানে আপনি পাবেন নানা ধরনের পুতুল। বিসমিল্লাহ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলার তাহসিন গ্রেটিংয়ে ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন। আর পুরানা পল্টনের এবি কার্ড সেন্টারে পাওয়া যায় চায়না পুতুল। এ ছাড়া তরঙ্গ, ২৮২/৫, প্রথম কলোনি, মাজার রোড, মিরপুরে একবার ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন।

লাভ কেমন
চায়না, মিকিমাউস, টুইটি, বারবি, ডরেমনসহ বিভিন্ন চায়নিজ পুতুল আকৃতি অনুযায়ী ৩০ থেকে শুরু করে ৭০০ টাকায় কিনতে পাওয়া যায়। বিক্রি করা যায় ৫০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। আর দেশি পুতুলের সর্বোচ্চ দাম পড়ে ১০০ টাকা। দেশি পুতুল বিসমিল্লাহ মার্কেটে পাওয়া যায়। ৫০০ টাকায়ও দেশি পুতুল বিক্রি হয়। তবে বিশেষ রকমের দেশি পুতুল পেতে বিসিকে যেতে পারেন।

আরো যা রাখতে পারেন
দোকান যেহেতু উপহার সামগ্রীর। তাই পুতুলের সঙ্গে রাখতে পারেন ফুল, বই, সিডি, হ্যান্ডিক্রাফ্টের অন্যান্য উপহার সামগ্রীও। সবই পাবেন ইমামগঞ্জের বিসমিল্লাহ টাওয়ারে। রাখতে পারেন ব্যাগ আর মাটির তৈরি জিনিসপত্রও।

ওয়েস্ট কটন থেকে তুলা তৈরী

01| fywgKvt- Zyjv gvby‡li cÖ‡qvRbxq `ª‡e¨i g‡a¨ Ab¨Zg|  Zzjv †jc,†ZvlK,evwjk BZ¨vw` ˆZixi Kv‡R e¨eüZ nq| Mv‡g©›Um KviLvbvi UzKiv KvMo †_‡K  cÖ¯ZvweZ cÖK‡íi Zzjv Drcv`b Kiv m¤fe| ZvQvov e¯G wg‡ji I‡qó m~Zv I wewfbœ UzKiv Kvco cÖK‡íi KvuvPvgvj wn‡m‡e e¨eüZ n‡e| Mv‡g©›Um Gi I‡q‡óR mgyn‡K bó bv K‡i Zv e¨envi K‡i Zzjv Drcv`b KivB cÖKí cÖdvBj cÖYq‡bi D‡Ïk¨| cÖ‡Z¨K kn‡iB wKQy  †jvK ‡jc, †ZvlK ˆZixi Kv‡R eû cy‡e© ‡_‡K  wb‡qvwRZ Av‡Q | Zviv mvavibZt Zzjv wK‡b †jc ‡ZvlK ˆZix K‡i evRviRvZ K‡i _v‡K A_ev  gvby‡li evox‡Z wM‡q GB mg¯Z cÖ‡qvRbxq `ªe¨ ˆZix K‡i ‡`q | GB ‡ckvi †jvKRb kxZKv‡j †`‡ki wewfbœ A‡j wM‡q A¯’vqxfv‡e GKvR K‡i _v‡K| esk cic¯civq Zviv †ckvi ZvwM‡` wewfbœ ‡Rjv Dc‡Rjvq emZx ¯’vcb K‡i Zv‡`i e¨emv Ae¨nZ †i‡L‡Qb| RbmsL¨v e„w×Kv‡j Pvwn`v e„w×i Ges wkgyj I Kvcvm Zzjvi g~j¨ e„w× Ges AcZzjZvi Kvi‡Y Mv‡g©›Um UzKiv Kvco †_‡K Zzjv ˆZix, wPšZvfvebv Av‡m| Mv‡g›Um© wkímg„× kn‡i Mv‡g©›U‡mi Ae¨eýZ UyKiv(I‡qó)Kvco ‡_‡K wbægv‡bi Zyjv ‰Zixi wkjc M‡o D‡V‡Q | eZ©gv‡b wKQy wKQy wkí Zv‡`i Drcvw`Z Zyjv fviZ I ‡bcv‡j ißvbx K‡i _v‡K | µgea©gvb ‡jvK msL¨vi Kvi‡Y ewY©Z Zyjvi Pvwn`v w`b w`b  e„w× cv‡PQ | Kv‡RB GB ai‡bi wkjc ‡h ‡Kvb ‡Rjv kn‡i ¯nvcb Kiv ‡h‡Z cv‡i |  

2| wecYbt

2.1      c‡Y¨i ‡fv³v Ð ‡jc ,‡ZvlK ‰Zix KviK wkímg~nB GB c‡Y¨i cÖavb ‡fv³v | Zvnv Qvov ‡mvdv ,RvwRg, ‰Zix‡Z I GB Zyjv e¨eýZ nq | G‡`‡ki ‡QvU eo mKj kni Ges Mªvg¨ nvU evRv‡iI ‡jc ,‡ZvlK , ‰Zixi KviLvbv we`¨gvb Av‡Q | KviLvbvi gvwjK MY wbR D‡`¨v‡M GB Zyjv msMªn K‡i _v‡Kb | Kv‡RB ejv hvq ‡`‡ki me©ÎB GBZyjvi Pvwn`v we`¨gvb | Zyjvi cvBKvix we‡µZvMY Zyjv Drcv`bKvix wkjc  mg~n ‡_‡K mivmwi Zyjv msMªn K‡i _v‡Kb | Kv‡RB Drcbœ Zyjvwewµ‡Z ‡Kvb mgm¨vi  m„wó n‡e bv | ZvQvov eZ©gv‡b cÖ¯—vweZ cÖK‡í Drcbœ Zzjv e¨envi K‡i w¯úwbs wg‡j †gvUv m~Zv ˆZix Kiv n‡”Q hv †gvU Kvco ˆZix‡Z e¨envi Kiv n‡”Q|

 3| KvwiMwi w`Kt


 3.1|  evwl©K 300 w`‡b 100% Drcv`b ¶gZvq wbgœewY©Z Drcv`b n‡e
µt bsweeiYcwigvb`i (UvKvq)gyj¨    (j¶ UvKvq)
Kwewfbœ ai‡bi Zzjv2800 †gtUb20,000/-56.00

 3.2| Drcv`b cÖwµqv tI‡qó KUb mvavibZt †iЇ`ªïKv‡Z nq| Zvici is Abyhvqx †kªbx web¨vm Kiv nq|  c‡i ch©vqµ‡g I‡cbvi †gwk‡bi mvnv‡h¨ I‡q÷Kvb/UzKiv Kvco‡K Ly‡j Zyjv Drcv`b Kiv nq|   3.3| wkjc ev¯Zevq‡b   cÖ‡qvRbxq DcKiY mgynt-K) fywg, cwigvY-3000 eM©dzU, gyj¨t- 6.00(Pvij¶ UvKv) wewmK wkí bMixi Rb¨ AvbygvwbK GKKvjxb gyj¨ aiv n‡q‡Q|L) KviLvbvt- KviLvbv wUb‡mU  †mwg cvKv wewìs, †MvWvDb cvKv wewìs, 2500 eM©dzU  wbg©vY LiP n‡e 8.00 j¶ UvKv|M) hšGcvwZt-cÖK‡íi Rb¨ ¯’vbxq fv‡e Z_v evsjv‡`‡k ˆZix wbgœewY©Z hšÎcvwZ e¨eüZ n‡e| 
µt bsweeiYcwigvb`i(j¶ UvKvq) †gvU gyj¨         ( j¶ UvKvq)
01I‡cbvi †gwkb4wU1.255.00
02KvwUs †gwkb1wU2.502.50
03KUb widvBbvi1wU0.600.60
04gvovB †gwkb1wU0.600.60
hšGcvwZ ¯’vcb I cwienb e¨q0.50
‡gvU9.20

 3.4| Ab¨vb¨ ¯’vqx wewb‡qvM t                                      1)  AvmevecG I  Ab¨vb¨ t                   0.50 j¶ UvKv  K)  KvuPvgvjt- KvuPvgvj mvavibZt XvKv, MvRxcyi,  PUªMÖvg I bvivqbM‡Äi Mv‡g©›Um d¨v±ix †_‡K msMÖn Kiv n‡e|wb‡gœ evwl©K KvPvgv‡ji Pvwn`v cÖ`I n‡jvt- 
µt  bsKvuPvgv‡ji weeiYcwigvb `i     (j¶ UvKv) †gvU   gyj¨         (j¶ UvKv)
01I‡qó KUb (Kvc‡oi UzKiv,myZv BZ¨vw`)315†gtUb0.0825.20

 3.5|  Rbkw³t-

K)         cÖkvmwbK Rbkw³t-


µt       bs c‡Y¨i bvgmsL¨vgvwmK ‡eZbevwl©K ‡eZb (j¶ UvKvq)
01e¨e¯’vcK0110,000/-1.20
02MvW©/wcqb2 Rb1,800/-0.43
†gvU1.63

 L) cÖZ¨¶  kÖwgK t-
µt bsc‡Y¨i bvgmsL¨vgvwmK gRyixevwl©K gRyix (j¶ UvKvq)
01A`¶ KvwiMi5 Rb3,000/=1.80
02Avav`¶ KvwiMi5 Rb2000/=1.32
03A`¶ KvwiMi05 Rb2000/-1.20
‡gvU4.32

  

M)         Dc‡hvM t-

µt bsweeiY†gvU  e¨q   (j¶UvKvq)
01|cvwb1.50
02|we`y¨r
03|R¡vjvbx I Ab¨vb¨

 4| Avw_©Kw`K

4.1  ¯’vqx wewb‡qvMt-


µt bsweeiY†gvU e¨q                      (j¶ UvKv)
01fywg6.00
02KviLvbv Ni8.00
03hšGcvwZ9.20
05Ab¨vb¨ ¯’vqx m¤c`0.50
‡gvU23.70

 4.2 PjwZ gyjab wbiyycbt-
µwgK bsweeib†gvU  e¨q   (j¶UvKvq)
01KvuPvgvj 1 gv‡mi1.47
02‡eZ I gÄyix (1 gv‡mi)0.50
03Dc‡hvM0.09
04Ab¨vb¨0.20
†gvU2.26

    4.3  †gvU cÖKí wewb‡qvMt- 
µt bsweeib  †gvU e¨q (j¶UvKvq)
01|

¯’vqx wewb‡qvM

23.00
02| PjwZ gyjab2.26
me©‡gvU25.96

4.4  †gvU  Drcv`b e¨qt-

µtbsweeib†gvU e¨q  (j¶ UvKvq)
01KuvPvgvj17.64
02cÖZ¨¶ kÖwgK4.32
03Dc‡hvM1.05
04KviLvbv N‡ii AePq 5%0.40
05hšGcvwZi AePq 10%0.92
06‡givgZ I i¶bv‡e¶b 5%0.46
07wewea e¨q0.50
‡gvU25.29

 4.5  cÖkvmwbK I weµq RwbZ e¨qt-
µtbsweeib †gvU e¨q       (j¶ UvKvq)
01†eZb1.63
02AePq (AvmevecG)0.10
03WvK,Zvi I †Uwj‡dvb0.36
04cwienb I hvZvqvZ1.00
05KviLvbv exgv(¯’vqx e¨‡qi 1%)0.24
06wewea e¨q0.20
†gvU3.53

  4.6  jvf-¶wZi cye©vfvmt- 
µt  bsweeib    †gvU  (j¶ UvKv)
01weµq ivR¯^39.20
01†gvU  Drcv`b e¨q28.82
02 my` c~e© gybvdv13.18
03 F‡Yi my`               1.82
04KiAeKvk
05bxU gybvdv8.56

  4.7             jvf RbKZvi  nvit-  
01|       w eµ‡qi Dci jvf      22%           
02|      ‡gvU wewb‡qv†Mi Dci  jvf  33%
03|       ‡gvU ¯nvqx wewb‡qv†Mi Dci  jvf  36%    we`¨gvb KviLvbvi msM„nxZ Z‡_¨i Dci wfwI K‡i cÖKíwU cÖYqb Kiv n‡q‡Q| ¯’vb †f‡` cÖK‡íi wewb‡qvM e¨q n«vm-e„w× NU‡Z cv‡i| cÖK‡íi 70% Drcv`b ¶gZvq †`Lv‡bv n‡q‡Q| FY Ges BKzBwUi AbycvZ t  70t 30