Showing posts with label ফরেক্স. Show all posts
Showing posts with label ফরেক্স. Show all posts

পিভট পয়েন্ট যেভাবে কাজ করে।


পিভট পয়েন্ট

পিভট পয়েন্ট কি?


বাই-সেল সিগন্যাল নির্ধারণ করার জন্য পিভট পয়েন্ট ফরেক্সে অনেক জনপ্রিয় একটি মেথড। রিভার্সাল পয়েন্ট (যেখানে গিয়ে প্রাইস বিপরীত দিকে ফিরে আসে) চিহ্নিত করার জন্য ট্রেডাররা পিভট পয়েন্ট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে।

পিভট পয়েন্টে চার্টটিকে কয়েকটি সেকশনে ভাগ করা হয়। মাঝের পয়েন্টটি হল পিভট পয়েন্ট (PP)। পিভট পয়েন্টের ওপরে প্রাইস থাকলে মার্কেট বুল্লিশ (মার্কেটের গতিবিধি ঊর্ধ্বমুখী) এবং পিভট পয়েন্টের নিচে প্রাইস থাকলে মার্কেট বিয়ারিশ (মার্কেটের গতিবিধি নিম্নমুখী)। R1, R2 এবং R3 হল রেসিসট্যান্স লেভেল এবং পিভট পয়েন্টের (PP) অপরে থাকে। S1, S2 এবং S3 হল সাপোর্ট লেভেল এবং পিভট পয়েন্টের (PP) নিচে থাকে।




এখানে,

      PP = Pivot point (পিভট পয়েন্ট)
      S = Support (সাপোর্ট)
      R = Resistance (রেসিসট্যান্স)

কিভাবে পিভট পয়েন্ট হিসাব করা হয়ঃ


পিভট পয়েন্টের ক্ষেত্রেঃ


High = গতকাল প্রাইস সর্বোচ্চ যে প্রাইসে গিয়েছে
Low = গতকাল প্রাইস সর্বনিম্ন যে প্রাইসে গিয়েছে
Close = গতকাল মার্কেট যে প্রাইসে ক্লোজ হয়েছে

ক্যালকুলেশনঃ

R3 = High + 2 x (PP – Low)
R2 = PP + (High – Low) = PP + (R1 – S1)
R1 = (PP x 2) – Low
PP = (High + Low + Close) / 3
S1 = (PP x 2) – High
S2 = PP – (High – Low) = PP – (R1 – S1)
S3 = Low – 2 x (High – PP)




আপনি এখন কষ্ট করে High, low এবং close বের করে পিভট পয়েন্ট বের করতে পারেন। অথবা পিভট পয়েন্ট ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে High, low এবং close সহজেই ডাটাগুলো বের করে নিতে পারেন। এছাড়া কিছু পিভট ইন্ডিকেটর রয়েছে, যেগুলো আপনার চার্টেই পিভট পয়েন্ট দেখিয়ে দেবে। এজন্য ইন্ডিকেটর বিভাগটি দেখুন।







কিভাবে পিভট পয়েন্ট ব্যবহার করে ট্রেড করবেনঃ

ব্রেকআউট ট্রেডিং

ব্রেকআউট হলে আপনি যেভাবে ট্রেড করেন, এখানেও তা ঠিক সেভাবেই কাজ করবে। প্রাইস যদি পিভট লাইনকে ক্রস করে এবং সেদিকে ক্লোজ হয়, তবে সাধারনত প্রাইস সেদিকেই যেতে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ





সবুজ জায়গাটি বোঝাচ্ছে যে প্রাইস প্রথমে পিভট পয়েন্টের নিচে ছিল এবং সবুজ জায়গা থেকে পিভট লাইন অতিক্রম করে ওপরের দিকে উঠেছে।

যখন পিভট লাইন ভেঙ্গে যায়, তার মানে হল যে প্রাইস এখন সেদিকে যেতে শুরু করবে। ব্রেকআউট ট্রেড করার উপায় হল, ব্রেক হবার পরেই সেই দিকে ট্রেড ওপেন করা। আপনি যখন ট্রেড ওপেন করবেন, তখন আপনি ব্রোকেন লাইনের ঠিক বিপরীতে স্টপ লস সেট করবেন এবং টেক প্রফিট হবে পরবর্তী লাইন।





ওপরের চার্টটি দেখুন। ট্রেড ওপেন করা হয়েছিল ২.০৫৫০ (সবুজ লাইন) প্রাইসে। স্টপ লস সেট করতে হবে ১.০৫৩৫ এ পিভট পয়েন্টের (লাল লাইন) নিচে। আপনার টেক প্রফিট হবে ১.০৫৯৪ এর R1 এর আশেপাশে।

এই ট্রেডটি মাত্র ৪০ পিপসের ছিল। খুব বেশী উত্তেজিত হবার কোন কারন নেই। কারন এগুলো সবসময় কাজ করে না। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের অন্য কোন কিছুর সাথে আপনি এটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি আরেকটু নিশ্চিত হতে পারনে যে আপনি ভুল ট্রেড করতে যাচ্ছেন না।


রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং

রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং হল যখন প্রাইস ২টি পিভট পয়েন্টের মধ্যে আঁটকে থাকে, অর্থাৎ ২টি লাইনের মধ্যেই বারবার ঘুরতে থাকে। নিচের চার্টটি দেখুনঃ




যতবার প্রাইস পিভট পয়েন্টকে হিট করে, কিন্তু ব্রেক না করে ফিরে যায়, পিভট পয়েন্ট তত শক্তিশালী হয়। যদি প্রাইস দিনে কোন পিভট পয়েন্টকে ৫ বার হিট করে, কিন্তু ব্রেক না করে, তবে বুঝতে হবে পিভট পয়েন্টটি অনেক শক্তিশালী। কিন্তু প্রাইস যদি পিভট পয়েন্টকে ১ বার হিত করে, তবে রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং ট্রেডিং করার জন্য আপনি আরও ১ বার ঐ পিভট পয়েন্ট হিট করার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।

আপনি যদি কোন চার্ট দেখতে থাকেন এবং দেখেন যে প্রাইস কমপক্ষে ২ বার পিভট পয়েন্টকে হিট করেছে কিন্তু ব্রেক না করে বিপরীত দিকে ফিরে গেছে, তাহলে আপনি রেঞ্জ বাউন্ড ট্রেডিং করার কথা ভাবতে পারেন।

পেনড্রাইভে ইন্সটল করুন মেটাট্রেডার - যেখানে সেখানে ব্যবহার করুন ইন্সটল ছাড়াই

 আপনি কিন্তু মেটাট্রেডার ইন্সটল করতে পারেন আপনার পেনড্রাইভেই। তাই যেখানে-সেখানে বারবার ইন্সটল ভুলে যান (আমি এই কাজ আগে প্রায়ই করতাম) এবং আপনার পেনড্রাইভে কিভাবে মেটাট্রেডার ইন্সটল করতে হয়, তা দেখে নিন। আমাদের প্রায় সবারই অবশ্যই একটি পেনড্রাইভ রয়েছে। আর মেটাট্রেডার ৪ ইনস্টল করলে তা জায়গা নেবে মাত্র ১৬ মেগাবাইট। সুতরাং আপনাকে স্পেস সমস্যায় কখনই পড়তে হবেনা। চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে পেনড্রাইভে মেটাট্রেডার ইন্সটল করা যায়ঃ
  • আপনি আপনার কম্পিউটারে যেভাবে সাধারনত মেটাট্রেডার ইন্সটল করেন, ঠিক সেভাবেই এখানে ইন্সটল করতে হবে। প্রথমে ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে মেটাট্রেডার ইন্সটলার ফাইলটি ডাউনলোড করুন। আমি xemarkets4setup.exe ফাইলটি ডাউনলোড করেছি। 

  • ডাবল ক্লিক করে ফাইলটি ইন্সটল শুরু করুন। Next দিন > Agreement এ টিক দিন > পরবর্তী উইন্ডোতে দেখবেন নিচের ছবির মত আসবেঃ

  • এখান থেকে আপনার পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করুন, এবং পেনড্রাইভে একটি MT4 বা যেকোনো নামে ফোল্ডার তৈরি করুন। তারপর Ok দিন > এবং Next বাটনে ক্লিক করুন।

  • এরপর শুরু হবে আপনার ইন্সটলেশন। সার্ভার থেকে ফাইলগুলো ডাউনলোড হবে। ইন্সটল শেষ হলে Finish বাটনে ক্লিক করুন। এরপর যেকোনো কম্পিউটারে আপনার পেনড্রাইভ লাগিয়ে পেনড্রাইভের MT4 ফোল্ডারে যান এবং Terminal.exe তে ক্লিক করলেই ওপেন হয়ে যাবে মেটাট্রেডার।

  • আপনি সাধারন নিয়মেই আপনার পেনড্রাইভের মেটাট্রেডারে ইন্ডিকেটর, এক্সপার্ট এডভাইসর, টেমপ্লেট ইত্যাদি ইন্সটল করে রাখতে পারবেন।

  • এভাবে আপনি পেনড্রাইভে আরও বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করে রাখতে পারেন, এবং যেখানে-সেখানে ব্যবহার করতে পারেন ইন্সটল ছাড়াই।

Crocodile Indicator

আমি ফরেক্স শিখছি কিছুদিন হল। এই বাপারে বিডিপিপ্স এর সমস্ত সদস্যদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।
আমি বিভিন্ন রকম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে দেখেছি, প্রফিট পাবার জন্য ইন্ডিকেটর একমাত্র ভরসা নয় কিন্তু অবশ্যই সাহায্যকারী। হাজারো রং আর স্টাইলের ইন্ডিকেটরের ভিড়ে প্রফিট খুজে পাওয়া সত্যিই এক দুরুহ ব্যাপার। বরং নিউজের প্রভাব আর সাপোর্ট, পিভট, রেজিস্টান্ট ইত্যাদি নিয়ে ভালো আইডিয়া গড়ে তুলতে পারলে, মেটাট্রেডার এ বাই ডিফল্ট যেসব ইনডিকেটর দেয়া থাকে তাই যথেষ্ট। MACD, Moving Average, Alligator, Bollinger Bands ইত্যাদি যথেষ্ট ভালো ইন্ডিকেটর। তবে টাইম ফ্রেম M1 আর M5 কম ব্যবহার করে বড় টাইম ফ্রেমগুলু ব্যবহার করলে লস হবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।
আমি রিয়েল ট্রেড করি, তবে বোনাস ডলার নিয়ে। আপনারা হয়তো আমার সাথে একমত নাও হতে পারেন, কিন্তু আমার মতে দীর্ঘসময় ডেমো করার চাইতে প্রথমে কিছুদিন ডেমো করার পর বেসিকগুলু আয়ত্তে আসার পর বোনাস নিয়ে রিয়েল ট্রেড করা উচিত। কারন ডেমোতে লস হলেও মনে প্রভাব পড়ে কম, কিন্তু বোনাস এ উইথদ্র করার একটা সম্ভাবনা থাকে বলে, লস হলে মনে কস্ট হয়। এটা পরবর্তীতে ভালো করে ফরেক্স শেখার জন্য সহায়ক হয়।

কয়েকটি বোনাস নষ্ট করার পর আমি এই স্ট্রাটেজী ব্যবহার শুরু করেছি। ভালো ফলাফল পাচ্ছি বলে শেয়ার করার সাহস করলাম।
আমি আগেই বলেছি মেটাট্রেডার এ বাই ডিফল্ট যেসব ইনডিকেটর দেয়া থাকে তাই যথেষ্ট। তাই আমি এর বাইরে যাইনি।
যদিও এটা তৈরিতে আমার কোনও কৃতিত্ব নেই কিন্তু আমি এর নাম দিয়েছি crocodile যাতে টেমপ্লেটটি খুজে পেতে কস্ট কম হয়।


crocodile

টাইম ফ্রেম => M15, M30, H1 (M15 best)
পেয়ার=> যেকোন (eur/usd & gbp/usd best)
সেশন=> যেকোনো
স্টপ লস=> ২০-৩০ পিপস (পিভট, রেসিস্টান্ট এবং সাপোর্ট দেখে নিলে ভাল)
টেক প্রফিট => এক্সিট করার নিয়ম আছে, তবুও ২০-৪০ পিপ টেক প্রফিট দেওয়া ভালো।

Indicators & Objects => (যা এর মধ্যে ব্যাবহার করা হয়েছে)
1. MACD (12,26,5) * ট্রেন্ড আপ/ডাওন/সাইডয়ে বুঝার জন্য।
2. Alligator * তিনটি সিম্পল মোভিং এভারেজ এর মডিফিকেশন
3. Heiken Ashi *যাতে বার বার কেন্ডেল এর পরিবর্তন দেখে মাথা না গরম হয়। (মজা করলাম :D )
4. Pivot Point(Fibo) * স্টপ লস বা টেক প্রফিট এবং অন্যান্য ধারনার জন্য।
5. Timer * একটি কেন্ডেল শেষ হতে কতক্ষন বাকি, বুঝার জন্য।

Alligator’s jaws (blue line) – 13-period Simple Moving Average built from (High+Low)/2, moved into the future by 8 bars;
Alligator’s teeth (red line) - 8-period Simple Moving Average built from (High+Low)/2, moved by 5 bars into the future;
Alligator’s lips (green line) - 5-period Simple Moving Average built from (High+Low)/2, moved by 3 bars into the future.


ছবি পোস্ট করা হয়েছে


কিভাবে ট্রেড করবোঃ
Alligator (কুমির) আমাদের ট্রেন্ড এর উপস্থিতি এবং এর দিক বুঝতে সাহায্য করে। আপট্রেন্ড এর সময় সবুজ লাইন উপরে এবং নীল লাইন নিচে থাকবে এর ডাওনট্রেন্ড এর সময় সবুজ লাইন নিচে এবং নীল লাইন উপরে থাকবে। অর্থাৎ সবুজ (গ্রীন সিগন্যাল) যেদিকে ওইদিকে ট্রেন্ড মুভ করবে। লাল সবসময় মাঝে থাকবে।

যখন এই প্যাটার্ন টা এলোমেলো বা তিনটা লাইন একসাথে থাকবে তখন বুঝতে হবে যে কুমির শিকার ধরা বাদ দিয়ে ঘুমিয়ে আছে। শিকার নেই কাজেই এই সময় ট্রেড করলে শিকার (পিপ্স) লাভ করার সম্ভাবনা খুব কম, না করাই ভালো।
কুমির যতবেশি সময় ধরে ঘুমাবে ততো ক্ষুধার্ত হতে থাকবে। কাজেই যতবেশি মার্কেট ট্রেন্ডবিহীন অবস্থায় থাকবে, পরবর্তিতে ততো বড় ট্রেন্ড তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকবে।
যখন ট্রেন্ড শুরু হবে তখন কুমির ঘুম থেকে উঠে শিকার ধরার জন্য হা করবে, ফলে লাল, নীল এবং লাল লাইন তিনটি ফাক হতে থাকবে। শিকার (পিপ্স) যখন প্রান বাচানোর জন্য পালাতে থাকবে তখনই আপনি আপনার শিকার শুরু করবেন অর্থাৎ ট্রেড ওপেন করবেন (MACD খেয়াল করে). যতক্ষণ পর্যন্ত কুমির কামড় না দিচ্ছে, আপনি শিকার চালিয়ে যাবেন।
যখনই কুমিরের কামড় পড়বে (সবুজ দাগ এর ভেতর ঢুকে যাবে) তখন ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন। কুমিরের কামড় বলে কথা, আপনি তো এর টারজান না । :D
খাওয়া হয়ে গেলে কুমির খুশি হয়ে মুখ বন্ধ করে আবার ঘুমিয়ে পরবে (লাল, সবুজ, নীল দাগ তিনটি কাছে চলে আসবে)।


ছবি পোস্ট করা হয়েছে


সতর্কতা (এই সিস্টেমেও লস হবে)
১. ডেমোতে টেস্ট করে আগে যাচাই করুন।
২. (গ্রিন সিগন্যাল) অর্থাৎ অন্তত একটি বার সবুজ লাইনকে ক্রস করবে। বাই ট্রেন্ড এ সবুজ লাইন সবার উপরে এবং সেল ট্রেন্ড এ সবার নিচে থাকবে। লাল লাইন সবসময় মাঝে থাকবে। এলোমেলো থাকলে ট্রেড ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. বাই এবং সেল এন্ট্রি দেবার আগে কেন্ডেল এর কালার খেয়াল করুন। সবুজ লাইন ক্রস করা অবস্থায় হাইকেন আসি ক্যান্ডেল এর কালার বাই এর জন্য সাদা এবং সেল এর জন্য লাল হবে।
৪. ট্রেন্ড এর পরিবর্তন নিশ্চিত হবার জন্য MACD এর দিকে খেয়াল করুন।
৫. আপনি যেকোনো একটি টাইম ফ্রেম ফলো করবেন। M15 দেখে ট্রেড ওপেন করলে M15 দেখেই ট্রেড ক্লোজ করবেন। একই নিয়ম অন্য টাইম ফ্রেমের জন্য প্রযোজ্য।
৬. নিউজ দেখে বুঝে ট্রেড করুন। নিউজ
৭. হাইকেন আসির কালার যখন বদলে যাবে এবং বার পুনরায় সবুজ লাইন এর ভেতর ঢুকে যাবে ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন।
৮.পিভট, সাপোর্ট, রেজিসটেন্স লেভেল গুলুতে যেকোনো সময় ট্রেন্ড ঘুরে যেতে পারে, কাজেই যে ইনডিকেটরই ব্যবহার করেন না কেন এই সময় সাবধানে ট্রেড করতে হবে।
৯. স্টপ লস এবং টেক প্রফিট ব্যবহারের সময় Fibonacci Retracement দেখতে পারলে ভাল।
১০. এখানে MACD (12,26,5) ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ট্রেন্ড ঘুরে যাবার মুহূর্তে প্রথমেই MACD আপনাকে সতর্ক করবে আর তখন কেন্ডেল এর কালারও দেখবেন পরিবর্তন হয়ে গেছে। আপনি চাইলে ওই সময়ই ট্রেড ক্লোজ করে দিতে পারেন অথবা সবুজ লাইন স্পর্শ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

Template টি আপলোড করলাম, যাতে এক ক্লিকে সব সেটিং পেয়ে যান। যেখানে মেটাট্রেডার ইন্সটল করেছেন ওই ফোল্ডারের টেমপ্লেট ফোল্ডারে ফাইলটি কপি করে মেটাট্রেডার রিস্টার্ট দিন। তারপর আপনার মেটাট্রেডার উইন্ডোতে রাইট ক্লিক করে টেমপ্লেট টি সিলেক্ট করুন।


ছবি পোস্ট করা হয়েছে

লিখা এবং অন্যান্য ভুলের জন্য দুঃখিত। ভুল থাকলে শুধরে দিলে খুশি হব। ধন্যবাদ।

1. Crocodile V1 (default MACD)
2. Crocodile V2 (colored MACD)
3. Crocodile V3 (empowered with fractals)

Fractal এর ব্যাবহার জানার জন্য লিঙ্কটি দেখতে পারেন। Fractal

ভুলেও ঘুমন্ত কুমিরের কাছে যাবেন না।


আজকের শিকার (৬ আগস্ট রাত ১০টা পর্যন্ত) ৩৬+১৬-৭+২৪+১৫+১২ = ৯৬
কি মনে হয়? ১০০ পিপ্স সম্ভব?

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

সংযুক্ত ফাইল

প্রয়োজনীয় কিছু ফরেক্স ইন্ডিকেটর



রেঞ্জ ট্রেডিং করে লাভ:




উপরের চিত্রটি খেয়াল করুন মার্কেট একটি নির্দিষ্ট এরিয়া অর্থাৎ একটি স্ট্রং সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস এর মধ্যে বাউনসিং করছে। সাধারণত মার্কেট একটি হাই ভলাটিলিটি শেষে এই ধরণের রেঞ্জে মুভ করতে থাকে। অথবা মার্কেটে যদি কোন স্ট্রং প্রেসার না থাকে তখনও এই ধরণের রেঞ্জিং দেখা যায়।

মার্কেট মুভমেন্ট যখন কোন সাপোর্ট বা রেসিসটেনস লেভেল ব্রেক করতে পারে না তখন এই পদ্ধতিতে আপনি বায় অর্ডার করতে পারেন যখন প্রাইস সাপোর্ট লেভেল এর কাছাকাছি এবং সেল করতে পারেন যখন প্রাইস রেসিসটেনস লেভেল এর কাছাকাছি। সাপোর্ট লেভেল এর নিচে এবং রেসিসটেনস লেভেল এর উপরে ১৫-২০ পিপস স্টপ লস সেট করবেন এবং প্রফিট নিতে পারেন ৩০ পিপস এর মত। অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা যায় ৩-৪টি সাপোর্ট এবং রেসিসটেনস বাউনসিং এর পরে তা ব্রেক করে তাই সতর্ক থাকবেন।

--------------------

কার কার Range Trading ভালো লাগে জানি না.তবে আমার খুভ ভালো লাগে. এইবার GBP/NZD Pair টার 4H Time Frame এর দিকে একটু নজর দিন কি মনে হচ্ছে?এই Pair টা ১.৯৭৭৬-১.৯৩৫১ এর মধ্যে একটা সুন্দর Range maintain করছে.তার মানে এই Range এ Trade করে আমি over 400 pips Profit করেছি. So আপনারাও Try করে দেখতে পারেন.

তবে Buy দেওয়ার সময় অবশ্যই মনে রাখবেন যেন RSI 30 এর একটু উপরে থাকে এবং Stochastic oversold দেখাই. আর Sell দেওয়ার সময় উল্টাটা মনে রাখবেন.






Resistance level and Support দেখে আয়:

আপ মার্কেট ট্রেন্ডে পূর্ববর্তী রেসিসটেনস ব্রেক করলে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল রেসিসটেনস হিসেবে কাজ করে আবার ডাউন ট্রেন্ড মার্কেটে পূর্ববর্তী সাপোর্ট ব্রেক করলে পরবর্তী রেসিসটেনস লেভেল সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে।

সাপোর্ট যখন ব্রেক করে প্রাইস তখন আরো কমতে থাকে এই অবস্থায় সেল ট্রেড করে প্রফিট করা যায় আবার রেসিসটেনস যখন ব্রেক করে পাইস তখন আরো  বাড়তে থাকে ওই অবস্থায় বায় ট্রেড করে প্রফিট করা যায়।

আর সাপোর্ট যখন ব্রেক না করে টাচ করে তখন বায় ট্রেড করে প্রফিট করা যায় এবং রেসিসটেনস যখন ব্রেক না করে টাচ করে তখন সেল ট্রেড করা যায়। এই ধরনের ট্রেডকে সুয়িং ট্রেড বলা হয়। অর্থাৎ সুযোগ সন্ধানী ট্রেড ।




AMA & AMA Sig ইন্ডিকেটর: ছোট টাইম ফ্রেমে

এই স্ট্রাটেজীটা খুবই Simple বা, এক কথায় সহজ । এই স্ট্রাটেজীতে একটি বিশেষ ইন্ডিকেটর যুক্ত করা হয়েছে যার নাম হচ্ছে AMA & AMA Sig. এই ইন্ডিকেটরের লাইনটি যখন Bollinger Middle Band কে ক্রসওভার করে উপরে চলে যাবে তখন Buy Entry আর যখন নীচে আসবে তখন Sell Entry দিতে হবে । তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, Bollinger Bands যখন সংকীর্ণ (সরু) হয়ে যাবে অথবা, Bollinger Middle Band যখন অনেকটা আনুভূমিক (Horizontal) হয়ে যাবে তখন কোন ট্রেড এন্ট্রি না দেওয়াই ভাল ।


ছবি পোস্ট করা হয়েছে


যে কোন টাইম ফ্রেমের জন্য এই ইন্ডিকেটরটিকে ব্যবহার করা যায় । আমরা জানি যে, টাইম ফ্রেম যত ছোট হয় রিস্ক সেই অনুপাতে তত বেড়ে যায় । কিন্তু আমার স্বল্প পরীক্ষায় এই স্ট্রাটেজীটা 15 Minute টাইম ফ্রেমে বেশ ভালই ফলাফল দিয়েছে । আপনারা (নতুন ট্রেডাররা) এই স্ট্রাটেজীটার আরও ডেমো পরীক্ষা চালিয়ে প্রয়োজনে এই ইন্ডিকেটরের সাথে অন্যান্য ইন্ডিকেটর যোগ করে আরও ভাল দিক-নির্দেশনা বের করবেন ।


ছবি পোস্ট করা হয়েছে


আমি সাধারণত অনেক বড় টাইম ফ্রেমে (Day 1) ট্রেড করে থাকি, কিন্তু এতে অনেক ধৈর্য্যের প্রয়োজন হয় । তাই ছোট টাইম ফ্রেমে ট্রেড করার উপায় নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে চিন্তা-ভাবনা মাথার মধ্যে আসছিল, আমি বেশ কিছু ইন্ডিকেটরের পরীক্ষা চালিয়েছি এবং তার ফলাফল হিসেবে এই ইন্ডিকেটরের ব্যবহারকে বেশ গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছে । পরিশেষে, আপনাদের ডেমো পরীক্ষার ফলাফল কেমন হল তা রিপ্লাইতে জানাবেন, যদি ভাল ফলাফল পান তাহলে রিয়াল ট্রেডে অল্প লটে ট্রেড করে দেখুন কেমন প্রফিট হয় ।


  • যখন সিগনালটি মাঝের বোলিংগার বান্ডকে ক্রস করে উপরে যেতে থাকে তখন -বাই এন্ট্রি
  • যখন মাঝের বোলিংগার বান্ডটি সিগলালটিকে ক্রস করে উপরে উঠতে থাকে তখন - এক্সিট
  • যখন সিগনালটি মাঝের বোলিংগার বান্ডকে ক্রস করে নিচে যেতে থাকে তখন - সেল এন্ট্রি
  • যখন মাঝের বোলিংগার বান্ডটি সিগনালটিকে ক্রস করে নিচে নামতে থাকে তখন -এক্সিট


সংযুক্ত ফাইল  AMA & AMA sig.mq4 (3.27K)



কাস্টোমাইজ ইন্ডিকেটর:

বাই এন্ট্রি: যদি ডাউনট্রেন্ড লাইন সংখ্যা আপ ট্রেন্ড লাইন সংখ্যা থেকে কম হয় তবে সম্ভাইব্য বাই এন্ট্রি। আর যদি দ্বিগুন হয় তবে নিশ্চিত বাই এন্ট্রি।

সেল এন্ট্রি: যদি ডাউনট্রেন্ড লাইন সংখ্যা আপ ট্রেন্ড লাইন সংখ্যা থেকে বেশী হয় তবে সম্ভাইব্য সেল এন্ট্রি। আর যদি দ্বিগুন হয় তবে নিশ্চিত সেল এন্ট্রি।

যে কোন টাইম লাইনে ব্যবহার করা যায়।

নিচের ইমেজ দেখুন:




Indicator Download link 


ADX

The Average Directional Index, অথবা ADX ইন্ডিকেটরটি আপনাকে বর্তমান ট্রেন্ডের দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত করবে। এটা আপনাকে মার্কেট আপট্রেন্ডে না ডাউনট্রেন্ডে আছে তা বলে দিবে না, কিন্তু মার্কেট কি একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘুরছে না মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে তা জানতে আপনাকে সাহায্য করবে।
এতে ০ থেকে ১০০ এর স্কেল রয়েছে। ২০ এর নিচে রিডিং নির্দেশ করে বর্তমান ট্রেন্ডটি দুর্বল, এবং ৫০ এর ওপরে রিডিং নির্দেশ করে যে বর্তমান ট্রেন্ডটি যথেষ্ট শক্তিশালী।
নিচের চার্টটি দেখুনঃ


ওপরের উদাহরণে দেখুন, সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ADX ২০ এর নিচে ছিল। তখন প্রাইস একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করেছে।
জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে ADX ৫০ এ চলে গিয়েছিল এবং নির্দেশ করেছে যে একটি শক্তিশালি ট্রেন্ড গঠিত হতে পারে। এরপর কি হয়েছিল? চার্টে দেখুন। শক্তিশালি ডাউনট্রেন্ডের ফলে EURCHF ৪০০ পিপস কমে গিয়েছিল।
সুতরাং, যে এই ট্রেন্ডের দৃঢ়তা সম্পর্কে অবহিত ছিল, সে কিন্তু ডাউনট্রেন্ড দেখে সহজেই নিশ্চিন্তে সেল অর্ডার ওপেন করেছে এবং প্রায় ৪০০ পিপসের মত লাভ করেছে।
পরবর্তী উদাহরণটি দেখুনঃ



প্রথম উদাহরণটির মতই, ADX অনেকক্ষণ ২০ এর নিচে ছিল এবং তখন EURCHF রেঞ্জিং করছিল, কিন্তু যখন হঠাৎ ADX ৫০ এর ওপরে উঠে আসে, এবং EURCHF আপট্রেন্ডের ফলে অনেক বেড়ে যায়।
ADX ইন্ডিকেটর কিন্তু আপনাকে কখনই বলবে না যে কখন বাই করতে হবে অথবা কখন সেল করতে হবে। এটা আপনাকে বলে দিবে যে সম্ভাব্য বা বর্তমান ট্রেন্ডে যে আপনি ট্রেড করতে চাচ্ছেন, তা নিরাপদ কিনা।
ADX এর সাহায্যে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কখন আপনার ট্রেডটি ক্লোজ করা উচিত। যখন ADX ৫০ থেকে কমে যেতে থাকবে, তখন আপনাকে বুঝতে হবে যে বর্তমান ট্রেন্ডটি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, তাই তখন আপনি আপনার প্রফিট লক করতে পারেন।
আপনি ADX কে অন্য একটি ইন্ডিকেটরের সাথে ব্যবহার করতে পারেন যা আপনাকে বলে দিবে যে মার্কেট কি আপট্রেন্ডে না ডাউনট্রেন্ডে।

RSI

Relative Strength Index, অথবা RSI, ইন্ডিকেটরটি stochastic এর মতই একটি ইন্ডিকেটর যা মার্কেটের overbought বা oversold অবস্থা নির্দেশ করে। RSI এ  থেকে১০০ পর্যন্ত স্কেল রয়েছে। ৩০ এর নিচে রিডিং oversold নির্দেশ করে, এবং ৭০ এর ওপর রিডিং overbought নির্দেশ করে।


কিভাবে RSI ব্যবহার করে ট্রেড করতে হয়

RSI ইন্ডিকেটরটি আপনি stochastic এর মত করেই ব্যবহার করতে পারেন। আমরা টপ এবং বটম পয়েন্টগুলোকে ব্যবহার করে জানতে পারি মার্কেট কি overbought নাoversold.
নিচে একটি EURUSD এর 4 Hour চার্ট রয়েছেঃ


চার্টে দেখুন EURUSD এর দাম ঐ সপ্তাহে অনেক কমেছে, ২ সপ্তাহে প্রায় ৪০০ পিপসের মত কমে গেছে।
৭ জুনে প্রাইস ১.২০০০ এর নিচে ছিল। একই সময়ে RSI ৩০ এর নিচে চলে গিয়েছিল। এটা সিগন্যাল দিয়েছে যে সম্ভবত মার্কেটে আর কোন সেলার নেই এবং হয়তো এখন সবাই বাই এর দিকে যেতে পারে। এরপর প্রাইস ওপরের দিকে উঠে গেছে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেক বেড়ে গেছে।

RSI এর সাহায্যে ট্রেন্ড নির্ধারণ করাঃ

RSI এর মাধ্যমে আপনি মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। আপনার যদি মনে হয় মার্কেটে নতুন কোন ট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে, দেখুন যে RSI কি ৫০ এর ওপরে না নিচে। আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য আপট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর ওপরে কিনা। আর আপনি যদি মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড আশা করেন তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে RSI ৫০ এর নিচে আছে কিনা।


 চার্টটি দেখে মনে হচ্ছে যে মার্কেটে সম্ভাব্য ডাউনট্রেন্ড তৈরি হতে যাচ্ছে। ডাউনট্রেন্ড নিশ্চিত করার জন্য আমরা এখন RSI ৫০ এর নিচে নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি। যখন RSI ৫০ ক্রস করে নিচে নামবে, তখন আমরা মোটামুটি নিশ্চিত হতে পারবো যে মার্কেটে ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছে।

Stochastic

Stochastic হল আরেকটি ইন্ডিকেটর যা আমাদের কখন ট্রেন্ডের সমাপ্তি হতে পারে তা নির্দেশ করে।
Stochastic মার্কেট overbought না oversold তা নির্দেশ করে।


Stochastic ব্যবহার করে কিভাবে ট্রেড করতে হয়ঃ

Stochastic আমাদের বলে দেয় কখন মার্কেট overbought এবং কখন মার্কেট oversold.
Stochastic এ ০ থেকে ১০০ পর্যন্ত একটি স্কেল আছে। যখন Stochastic লাইন ৮০'র ওপরে থাকে (অর্থাৎ লাল ডট ডট লাইনের ওপরে থাকে), তখন বুঝতে হবে যে মার্কেট এখন overbought. আর যখন Stochastic লাইন ২০'র নিচে থাকে (অর্থাৎ নীল ডট ডট লাইনের নিচে থাকে), তখন বুঝতে হবে যে মার্কেট এখন oversold.
আর আমরা জানি যে মার্কেট যখন oversold থাকে তখন আমরা বাই করি, এবং মার্কেট যখন overbought থাকে তখন আমরা সেল করি।


 ওপরের চার্টটি দেখুন। Stochastic অনেকক্ষণ থেকেই overbought অবস্থা দেখাচ্ছে। এই চার্ট দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে? প্রাইস এরপর কোথায় যেতে পারে?


আপনার উত্তর যদি হয়ে থাকে যে প্রাইস এখন কমবে তাহলে আপনি একদম সঠিক। কারন মার্কেট অনেকক্ষণ ধরেই overbought অবস্থায় আছে, তাই এই অবস্থায় এখন প্রাইস কমে যেতে বাধ্য।
Stochastic ইন্ডিকেটরের বেসিক কার্যপ্রণালী এটাই। অনেক ট্রেডার Stochastic কে অন্যভাবেও ব্যবহার করেন। কিন্তু মার্কেটের overbought অথবা oversold অবস্থা বোঝাতেই Stochastic ইন্ডিকেটরটি মূলত ব্যবহৃত হয়।

Parabolic Sar

অধিকাংশ ইন্ডিকেটর আপনাকে নতুন ট্রেন্ড শুরু হবার সিগন্যাল দেয়। নতুন ট্রেন্ড চিহ্নিত করা যেমন জরুরি, তেমনি ট্রেন্ডের সমাপ্তি চিহ্নিত করাটাও ততটা জরুরী। যদি সঠিক সময়ে ট্রেড ক্লোজ না করা হয় তবে সঠিক সময়ে ট্রেড ওপেন করে খুব একটা লাভ নেই।


Parabolic SAR (Stop And Reversal) ইন্ডিকেটরটি ট্রেন্ড কখন শেষ হতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা পেতে আমাদের সাহায্য করে। Parabolic Sar চার্টে ডট অথবা পয়েন্টের সাহায্যে ট্রেন্ডের পরিবর্তন নির্দেশ করে।

কিভাবে Parabolic SAR এর সাহায্যে ট্রেড করবেনঃ

Parabolic SAR খুব সহজ এবং সাধারন একটি ইন্ডিকেটর। যখন ক্যানডেলের নিচে ডট আসে, তখন তা বাই সিগন্যাল বোঝায়। আর যখন ক্যানডেলের ওপরে ডট আসে তখন তা সেল সিগন্যাল বোঝায়।


ট্রেন্ডিং মার্কেটে এই ইন্ডিকেটরটি অনেক ভাল কাজ করবে। কিন্তু মার্কেট যখন সাইডওয়ে ট্রেন্ডে থাকে, তখন আপনি ভাল ফল পাবেন না।

কিভাবে Parabolic Sar এর সাহায্যে ট্রেড ক্লোজ করবেনঃ

কখন আপনার ট্রেড ক্লোজ করা উচিত তা আপনি Parabolic Sar এর সাহায্যে বুঝতে পারেন। নিচের EURUSD চার্টে দেখুন Parabolic Sar exit সিগন্যাল হিসেবে কাজ করেছে ডেইলি চার্টে।


 ৩ টি ডট দেখলেই আপনি আপনার পূর্বের ট্রেড ক্লোজ করে নতুন ট্রেন্ডের দিকে নতুন ট্রেড ওপেন করতে পারেন।

Bollinger Bands

মার্কেট ভোলাটিলিটি অনুধাবন করার জন্য Bollinger Bands ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করা হয়।
এই ছোট টুলসটি আমাদের বলে দিবে যে মার্কেট কি এখন শান্ত না অশান্ত। যখন মার্কেট শান্ত থাকে তখন ব্যান্ড ২টি সংকুচিত হয়ে যায়, আর যখন মার্কেট অশান্ত থাকে তখন ব্যান্ড ২টি প্রশস্ত হয়ে যায়।
নিচের চার্টটি দেখুন। যখন মার্কেট শান্ত ছিল, তখন ব্যান্ড ২টি কাছাকাছি ছিল। কিন্তু যখন প্রাইস খুব দ্রুত বেড়ে গেছে অর্থাৎ মার্কেট অশান্ত হয়ে গেছে, তখন ব্যান্ড ২টি দূরে সরে গেছে।


Bollinger Bounce:

Bollinger Bands সম্পর্কে একটি ব্যাপার আপনার জেনে রাখা দরকার যে প্রাইস অধিকাংশ সময় ব্যান্ডের মাঝখানে ফিরে আসে। এটাই হল Bollinger Bounce এর আসল আইডিয়া। নিচের চার্টটি দেখে কি আপনি বলতে পারেন যে প্রাইস পরবর্তীতে কোথায় যেতে পারে?


এখন আপনি যদি বলে থাকেন যে দাম কমবে তাহলে আপনার উত্তর সঠিক। নিচের চার্টে আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে প্রাইস কমে গেছে এবং প্রাইস ব্যান্ড ২টির মাঝখানে চলে এসেছে।




আপনি এখন যেটা দেখলেন সেটা হল Bollinger Bounce. এরকম বাউন্স হবার কারন হল Bollinger bands এর ব্যান্ড ২টি ডাইনামিক সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করে।
আপনি যত বড় টাইমফ্রেম ব্যবহার করবেন, ব্যান্ডগুলো তত শক্তিশালি হবে। মার্কেট যখন একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করে এবং কোন নির্দিষ্ট ট্রেন্ড থাকে না, তখন এই স্ট্রাটেজীটি ভাল কাজ করে।

Bollinger Squeeze:

যখন ব্যান্ড ২টি খুব বেশি সংকুচিত হয়ে যায় তখন এটি সাধারনত নির্দেশ করে যে সম্ভবত ব্রেকআউট হতে যাচ্ছে।
যদি ক্যানডেল ওপরের ব্যান্ডটিকে ব্রেক করে ওপরে উঠে যায় তবে সাধারনত প্রাইস আরও ওপরে উঠতে থাকে অর্থাৎ প্রাইস বাড়তে থাকে। আর যদি ক্যানডেল নিচের ব্যান্ডটিকে ব্রেক করে নিচে নামতে থাকে, তাহলে প্রাইস আরও নিচে নামতে থাকে অর্থাৎ প্রাইস কমতে থাকে।


ওপরের চার্টটি দেখুন। ব্যান্ড ২টি সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রাইস ওপরের ব্যান্ডটি ব্রেক করে ওপরে উঠে যাচ্ছে। এই চার্টের ওপর ভিত্তি করে আপনি কি মনে করেন প্রাইস কি বাড়বে না কমবে?






আপনি যদি বলে থাকেন যে প্রাইস বাড়বে তাহলে আপনি সঠিক। এভাবেই সাধারন Bollinger Squeeze কাজ করে।
এরকম ট্রেডের সুযোগ আপনি প্রতিদিন পাবেন না। কিন্তু ১৫ মিনিটের চার্টে আপনি সপ্তাহে কয়েকবার এরকম ট্রেডের সুযোগ পেতে পারেন।
Bollinger bands দিয়ে বিভিন্ন ভাবে ট্রেড করা যায়। কিন্তু এই ২টি হল Bollinger Bands দিয়ে ট্রেড করার সবচেয়ে সহজ এবং সাধারণ ট্রেডিং স্ট্রাটেজী

সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ফরেক্স ইন্ডিকেটর

DEMA এবং TEMA :

আমরা ট্রেডিং চার্টে বিভিন্ন ধরনের ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে থাকি । এর মধ্যে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ইন্ডিকেটর কোনটি তা যে কোন ট্রেডারকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এক বাক্যে স্বীকার করবেন যেসবচেয়ে অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত ইন্ডিকেটরটি হচ্ছে মুভিং এভারেজ । আমরা মুভিং এভারেজ হিসেবে SMA আর EMA এর ব্যবহারের কথা প্রায় সবাই কম-বেশী জানি ।

সহজ ট্রেডিং স্ট্রাটেজী হিসেবে দুইটা ভিন্ন মুভিং এভারেজের ক্রস-ওভারের ব্যবহার আমরা অনেকেই করে থাকি । কিন্তু এই ক্রস-ওভার খুব বেশী দেরীতে ঘটলে সঠিক সময়ে ট্রেড ওপেন এবং ক্লোজ করা থেকে আমরা বঞ্চিত হই । আবার যদি খুব অল্প পিরিয়ডের মুভিং এভারেজ ব্যবহার করা হয় তাহলে হয়ত খুব তাড়াতাড়ি ক্রস-ওভার দেখতে পাওয়া যাবে,কিন্তু এই ক্রস-ওভার খুব বেশী পরিমাণে ফেক (ভুলট্রেন্ড সম্পর্কে বার্তা দিতে পারে যা ট্রেডের জন্য খুবই বিপদজনক ।

কিছু সংখ্যক অভিজ্ঞ ট্রেডার এবং প্রোগ্রামার মিলে এক নতুন ধরনের মুভিং এভারেজ তৈরী করেছেন যার নাম হচ্ছে DEMA এবং TEMA. এই DEMA এবং TEMA হচ্ছে মূলতঃ Double EMA এবং Triple EMA, এই মুভিং এভারেজগুলো তৈরীর ফর্মূলাটা ইন্টারনেটে দেওয়া আছেতবে এই ফর্মূলা আমাদের জানার কোন প্রয়োজন নেই,শুধু এদের ব্যবহার কিভাবে করতে হবে তা জানলেই চলবে ।

প্রথমে আমরা USD-CHF এর 30 Minute চার্টে শুধুমাত্র 26 SMA এর ব্যবহার দেখি —

ছবি পোস্ট করা হয়েছে





উপরের চার্টে আমরা 26 SMA এর সাথে 26 EMA যোগ করি এবং তাদের পারস্পরিক পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করি —

ছবি পোস্ট করা হয়েছে


এবার আমরা উপরের চার্টে 26 SMA এবং 26 EMA এর সাথে 26 DEMA যোগ করি এবং মুভিং এভারেজগুলোর ভূমিকার মধ্যে পারস্পরিক পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করি —

ছবি পোস্ট করা হয়েছে


এবার আমরা উপরের চার্টে 26 SMA, 26 EMA এবং 26 DEMA এর সাথে26TEMA যোগ করি এবং মুভিং এভারেজগুলোর ভূমিকার মধ্যে পারস্পরিক পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করি —

ছবি পোস্ট করা হয়েছে


আমরা উপরের চার্টে 26 Period এর চার রকমের মুভিং এভারেজের ভূমিকাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক তুলনা করে বুঝতে পারছি যে, ট্রেডিং চার্টে বড় পিরিয়ডের মুভিং এভারেজ দিয়েও অনেক ভাল ভাবে মার্কেটের ট্রেন্ড নির্ণয় করা যায় ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে এই মুভিং এভারেজ ব্যবহার করে এখন পর্যন্ত কোন ট্রেড সম্পন্ন করা হয় নাই । কাজেই কোন টাইম ফ্রেম কিংবা, কোন কারেন্সী পেয়ার ভাল হবে তা নিয়ে কোন প্রশ্ন না করাই সমুচিত হবে - এই কাজটি যার যার দায়িত্বে ছেড়ে দেওয়া হল । যারা DEMA এবং TEMA ব্যবহার করে ট্রেড করতে চান, তারা নিজ দায়িত্বে নিজেদের ট্রেড নিজেরাই করবেন ।

1. Trader Wawasan MACD

2. Trader Wawasan MACD 2

3 Trader Wawasan HA অথবা, এটি কাজ না করলে Heiken Ashi Smoothed


আরও একটা বিষয় হচ্ছে যে, কোন টাইম ফ্রেম এই চারটা (4) ইন্ডিকেটর দিয়ে ট্রেড করার জন্য সবচেয়ে ভাল ।


সংযুক্ত ফাইল

  • সংযুক্ত ফাইল  DEMA.mq4 (1.85K)
    ডাউনলোড সংখ্যা: 39
  • সংযুক্ত ফাইল  TEMA.mq4 (2.5K)
    ডাউনলোড সংখ্যা: 39