শিং-মাগুরের চাষ ব্যবস্থাপনা

লেখক: দলিল উদ্দিন আহমদ

পরিচিতি

শিং ও মাগুর সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মাছ। পরিবেশগত পরিবর্তন ও মানুষসৃষ্ট কারণে দেশি শিং–মাগুর বিলুপ্তির পথে ছিল। গবেষণা ও কৃত্রিম প্রজননের ফলে এখন দেশি পোনা উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

সুবিধা

  • ছোট-বড় সব জলাশয়ে চাষযোগ্য

  • বাতাস থেকে অক্সিজেন নেয় → ঝুঁকি কম

  • ঘনত্ব বেশি রাখা যায়

  • তাপমাত্রা সহ্যক্ষমতা বেশি

  • বাজারদর ভালো

  • ৭–৮ মাসে: শিং ১০০–১৫০ গ্রাম, মাগুর ২০০–২৫০ গ্রাম

  • রোগীর পথ্য হিসেবে চাহিদা বেশি

পুকুর প্রস্তুতি

  • ঝোপঝাড় পরিষ্কার, আলো ঢোকার ব্যবস্থা

  • পুরোনো পুকুর সেচ/জাল টেনে মাছ তোলা

  • প্রয়োজন হলে রোটেনন প্রয়োগ করে রাক্ষুসে মাছ দূর

চুন

রোটেননের ৫–৭ দিন পর, ৩–৪ ফুট পানিতে প্রতি শতাংশে ১ কেজি চুন।

সার

চুনের ১ সপ্তাহ পর প্রতি শতাংশে—
ইউরিয়া ১০০–১৫০ গ্রাম, টিএসপি ৫০–৭৫ গ্রাম, গোবর ৫–৭ কেজি অথবা মুরগির বিষ্ঠা ২–৩ কেজি।
৫–৭ দিন পর পানির রং সবুজাভ/হালকা বাদামী হলে পোনা ছাড়ুন।

মজুদ

  • শিং: ৪৫০–৫০০টি/শতাংশ

  • মাগুর: ৪০০–৪৫০টি/শতাংশ

খাদ্য

প্রোটিন ৩৫–৪০%।
মিশ্রণ: চালের কুঁড়া ৪০% + সরিষার খৈল ৩০% + শুঁটকি গুঁড়া ৩০%
দৈনিক মাছের মোট ওজনের ৫–১০% হারে।

আহরণ

১০০ গ্রাম হলেই বিক্রি করা যায়।
জাল টেনে ৫০% ধরুন, বাকিটা পুকুর শুকিয়ে ধরুন।
অথবা ৩–৪ ইঞ্চি প্লাস্টিক পাইপ (২–৩ ফুট) দিয়ে পাইপ ট্র্যাপ ব্যবহার করা যায়।
জীবিত অবস্থায় বাজারজাত উত্তম।

পোনা ঠিকানা

রূপালী ফিসারিজ, খাগডহর, সদর, ময়মনসিংহ
মালিক: জাহাংগীর
মোবাইল: 01713566492
ঢাকা থেকে প্রায় ৫ ঘণ্টা। আগে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে যাবেন।

চাইলে আমি আরও এক ধাপ ছোট করে “এক লাইনের হেডিং” বানিয়েও দিতে পারি (যেমন: পরিচিতি/সুবিধা/প্রস্তুতি/চুন/সার/মজুদ/খাদ্য/আহরণ/ঠিকানা)।