Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts
Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts

কর্মমুখি শিক্ষায় ফ্যাশন ডিজাইন

পোষাক শিল্পে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে অনেকদিন থেকেই। দেশজুড়ে হাজার হাজার গার্মেন্টস, বায়িং হাউজ, ফ্যাশন হাউস আর বুটিক হাউস গড়ে ওঠার ফলে এসব খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে।


যেসব পেশার চাহিদা বেশি :পোশাক শিল্পে চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ আয়ের এবং যুগোপযোগী পেশা বায়িং বা গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফ্যাশন ডিজাইনিং প্রভৃতি। আর এসব পেশাদার শ্রেণীর চাহিদা মেটাতে দেশ ছাড়াও দেশের বাইরে থেকে যেমন দক্ষদের নিয়ে আসা হয়, তেমনি এ দেশের প্রশিক্ষণার্থীরা বাইরে গিয়ে বাইরের দেশের পোশাক শিল্পেও চাকরি করছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন মানসম্মত প্রশিক্ষণ। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা করলে কেবল চাকরি নয়, নিজেই গড়ে তোলা যায় সহযোগী সব প্রতিষ্ঠান।

প্রশিক্ষণ :পোশাক শিল্পে উচ্চ আয়ের চাকরির জন্যে ফ্যাশন টেকনোলজিতে কয়েক ধরনের প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রি রয়েছে। রয়েছে ছয় মাস বা এক বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স, অন্যদিকে উচ্চ ডিগ্রির ক্ষেত্রে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি, অ্যাপারেল ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি, নিটওয়ার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়গুলোর উপর অনার্স এবং এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং প্রভৃতি ডিগ্রি। এসএসসি, এইচএসসি সম্পন্ন করে যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীরা ফ্যাশন বা গার্মেন্টস টেকনোলজিতে অনার্স এবং স্নাতক পাস করার পর এমবিএ ডিগ্রি নিতে পারে। ০১৭৩১২২০০৯৯, ৮১৮৯৬৩৭-৮ নম্বরে ফোন করে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে পড়ালেখা ও ক্যারিয়ার নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

খরচ :অন্যান্য ডিগ্রির তুলনায় এসব ডিগ্রিতে খরচ একটু বেশি হলেও খুব অল্প সময়েই অর্জন করা যায় এই ডিগ্রি। আবার শিক্ষা শেষ হওয়ার আগেই খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ রয়েছে। মেধা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ পেয়ে অনেকে নামমাত্র ব্যয়ে এসব কোর্স সম্পন্ন করতে পারে। বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় প্রশাসনসহ সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে পড়তে পারবেন। সাধারণত এ জন্য খরচ হবে প্রতি ক্রেডিট ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত।

চাকরির বেতন : সরকারি-বেসরকারি বা দেশি-বিদেশি টেক্সটাইল মিল, বায়িং অফিস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউস, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্পে চাকরি করতে গিয়ে প্রাথমিক অবস্থায় ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যায়। তবে কাজের দক্ষতা আর অভিজ্ঞতার উপর দ্রুত বাড়তে থাকে বেতন। অনেক ক্ষেত্রে ২/৩ বছরের মধ্যেই ৭০-৯৫ হাজার টাকা বেতন হয়ে যায়। সাথে বাড়ে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।

প্রতিষ্ঠানের খবর :হাতে-গোনা কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এসব বিষয় পড়ার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি। আধুনিক ক্যাম্পাস, দক্ষ ফ্যাকল্টি, উন্নত পরিচালনা পর্ষদসহ সব সুবিধা রয়েছে এনআইএফটিতে। এখানকার শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সাফল্যও বেশি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপারেল ম্যনুফাকচারিং, বিএসসি অনার্স ইন ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি, নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি, এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং বিষয়সমূহে ডিগ্রি অর্জন করা যায় এখানে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদী গার্মেন্টস ডিজাইন কোর্স রয়েছে।

যোগাযোগ :১৪৬, ওয়ারলেস গেট মহাখালী, ঢাকা।

ক্যারিয়ার গড়ার ১০ উপায়

ক্যারিয়ার গড়তে অনেক বিষয়ই বিবেচ্য। এই লেখায় দশটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিয়ে আলোচনা করা হলো।
১. ইতিবাচক মনোভাব
আমরা সবাই জানি নেতিবাচকের চেয়ে ইতিবাচক কর্মকান্ড ও মনোভাব সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য। সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়তেও ইতিবাচক মনোভাবের বিকল্প নেই। সত্যিকার অর্থে প্রত্যেকটি কাজেই ইতিবাচক মনোভাবের প্রাধান্য বেশি। আমি অথবা আপনি এটা ভাল করেই জানি ‘উপদেশ দেয়া সহজ তবে পালন করাটাই কঠিন’। 
সেই সাথে আমরা এটাও জানি ইতিবাচক অবস্থান একজন মানুষকে কোলাহল, উত্তেজনা উগ্রতা, দুঃশ্চিন্তা থেকে দূরে রাখে। আপনি যখন মনের দিক থেকে সত্ থাকবেন, তখন আপনাআপনি মন প্রফুল্ল থাকবে। নিজের সাথে বোঝাপড়াটাও ভাল হবে। মনকে প্রফুল্ল রাখতে পারলে স্বপ্নের চাকরিটাই না শুধু যেকোন কাজেই সফলতা পেতে পারি আমরা।
২. নিজেকে জানুন
হরহামেশাই দেখা যায় ভাল বেতনের চাকরিকে সবাই প্রাধান্য দেয়। আবার বেশি বেতনের চাকরি করলে সমাজেও কদরটা একটু বেশি। তাই সকলেই ঝুঁকে পড়ে বেশি বেতনের চাকরির দিকে। তবে ব্যাপারটা এমন না হয়ে যদি নিজের আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয়া হত, তাহলে ব্যাপারটা ঈর্ষণীয় হত। তাই আগে জানতে হবে, কোন পেশার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন। আসল কথা হচ্ছে অন্যের পেশাকে দেখে লাভ নেই। নিজেকে নিজে জিজ্ঞাসার মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে কোন পেশাকে বেছে নেওয়া যায়। মনের তৃপ্তিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর সেজন্য দরকার নিজেকে জানা। নিজের উপর যতটা নির্ভরশীল হওয়া যাবে, সাফল্যের পথে সে সবচেয়ে এগিয়ে।
৩. চাহিদা ও দক্ষতা নির্ধারণ
প্রত্যেকেরই উচিত অবসর সময়টাতে নিজেতে তৈরি করা। এইচএসসি পাস একজন নিশ্চয়ই ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকরি পাবে না। তাই নিজের দক্ষতার উপর নির্ভর করেই চাহিদার চাকরিগুলোকে বেছে নিতে হবে। তারপর সর্বোচ্চ কাঙ্ক্ষিত চাকরিটা পেতে প্রয়োজনীয় কাজগুলো করতে হবে। আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে কোন বিষয়টি আপনাকে বেশি টানে। ধরুন, আপনি কম্পিউটারে কাজ করতেই বেশি পছন্দ করেন। কম্পিউটারের সামনে বসলে আর উঠতেই ইচ্ছে করে না। আর কম্পিউটারও ভাল জানা আপনার। কম্পিউটার দক্ষতা ও আগ্রহ এই দুই মিলালে বলাই যায়—আপনার উচিত তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়া। সে চেষ্টাটাই করতে হবে আপনাকে।
৪. ব্যক্তিত্ব নিরূপণ
কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে ব্যক্তিত্ব বা পার্সোনালিটি নিরূপণ করার দায়িত্বও আপনারই। পার্সোনালিটি নিরূপণ করার জন্য আপনি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন তৈরি করে নিতে পারেন। অথবা কারও তৈরি করা প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে নিজেকে যাচাই করে নিতে পারেন। মায়ারস ব্রিগস টাইপ ইন্ডিকেটর (এমবিটিআই) নামের পরীক্ষা দিয়ে বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিগত দৃঢ়তা নিরূপণ করতে পারেন।
৫. নমনীয়তা
উগ্রতা সর্বদাই খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। কোন কাজই জোরপূর্বক করে নেয়া যায় না। আর জোরপূর্বক করে নেয়া হলেও পরিবর্তিতে তার কুফল ভোগ করতেই হয়। তাই উগ্রতা নয়, নমনীয়তায় জীবন গড়াটাই যৌক্তিক।
৬. পরামর্শ গ্রহণ
অনেক সময়ই আমরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগী। এটা নয় ওটা ভাল। আসলে যে কোনটা ভাল তাই খুঁজে বের করতে পারি না আমরা। তাই আমাদের উচিত পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় কিংবা কোন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলে সঠিক ও উপযুক্ত চাকরিটা বেছে নেওয়া। বিশেষ করে বিশেষজ্ঞরা চাকরির বাজার সম্পর্কে প্রচুর জানেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্র, ক্রমোন্নতি ও বেতন সবদিক সম্পর্কেই একজন বিশেষজ্ঞ আপনাকে সঠিক চাকরিটি বেছে নিতে সহায়তা করতে পারবেন।
৭. সময় সচেতনতা
প্রত্যেকটা মানুষেরই উচিত সময়ের সঠিক ব্যবহার করা। সময়ের কাজ সময়ে করতে পারলে যেকোন ব্যক্তিই তার ক্যারিয়ারকে সফল স্থানে নিয়ে যেতে পারবে। অযথা সময় ক্ষেপনকারীর একজন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় সময় এসে হাঁপিয়ে উঠে। ফলে সে তার কাজে ভুল করে। পরে করবো বলে ফেলে রাখলে কোন কাজেরই সফল সমাধান দেয়া সম্ভব নয়। তাই সময় সচেতন হয়ে উঠুন।
৮. নেটওয়ার্ক তৈরি
সফল ক্যারিয়ার গড়তে আপনাকে অবশ্যই একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে। তবে নেটওয়ার্কটি অবশ্যই সত্ ও উদ্দেশ্যবহুল হওয়া চাই। নানাজনের সাথে কথা বলে ও বন্ধুত্ব করাটাও সফল ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করতে পারবে।
৯. ক্যারিয়ার জিজ্ঞাসা
আপনি যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন তবে কিন্তু সমস্যার সম্মুখীন হবেন। আপনার তখন সম্ভব হবে না স্কুলে ফিরে গিয়ে নতুনভাবে পড়াশোনা করে অন্যক্ষেত্রে সফল হবার। তাই আপনার উচিত সঠিক কোন ক্যারিয়ার কলেজ বা ট্রেনিং সেন্টার খুঁজে বের করা। কারণ ক্যারিয়ার কলেজ বা ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে আপনি আপনার ক্যারিয়ারের নানা সমস্যার উত্তর খুঁজে পাবেন। আপনি নিজেও ক্যারিয়ার জিজ্ঞাসার মাধ্যমে আপনার নানা সমস্যার সমাধান করে নিতে পারেন। নতুন নতুন সব আইডিয়া তৈরি করে তার উপর পরীক্ষা নীরিক্ষার মাধ্যমেও ক্যারিয়ারে সফলতা পাওয়া সম্ভব।
১০. সহিষ্ণুতা
প্রবাদ আছে, ‘ভাল জিনিস একটু দেরিতেই আসে’। 
কোন কাজেই তাড়াহুড়া করাটা ভাল না। তড়িত্ যেকোনো কাজের মধ্যে ভুল হবার সম্ভাবনা বেশি।

সেরা ১০ আইটি সার্টিফিকেশন

চাকরিতে আইটি সার্টিফিকেশনের অনেক প্রয়োজনীয়তা আছে, এসবের মূল্যায়নও যথাযথই হয়৷ এসবের গুরুত্ব অপরিসীম, চাকরির প্রমোশনে জব এনরিচমেন্টে আইটি সার্টিফিকেশনের বিকল্প নেই৷ তবে এসব আইটি সার্টিফিকেশন নিয়ে বিরক্তের শেষ নেই- একেক পক্ষ একে বিষয়াবলীকে গুরুত্ব দেয় অন্য পক্ষ তা আবার দেয় না৷ এসবের যথার্থ তালিকা নিরূপণ করা নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে৷ বর্তমান সময়ে দশটি আইটি সার্টিফিকেশন সকল বিতর্কের উধের্ক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠের তালিকায় রয়েছে সেগুলো হলো-

. এমসিআইটিপি : এই নতুন প্রজন্মের 'মাইক্রোসফট সার্টিফাইড আইটি প্রফেশনাল ক্রিডেনশিয়াল'-যা হচ্ছে বর্তমানে মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় প্রমাণ পত্র এটি সব ধরনের আইটি প্রফেশনালদের জন্য কার্যকরী বাস্তবিক৷ চাকরির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, এতে বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষার মাধ্যমে পাস করে প্রমাণপত্র নিতে হবে৷ ডাটাবেজ ডেভেলপার, ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর এন্টারপ্রাইজ মেসেজিং এডমিনিস্ট্রেটর, সার্ভার নিয়ন্ত্রক সবার জন্যই এটি প্রযোজ্য৷

. এমসিটিএস : মাইক্রোসফট সার্টিফাইড টেকনোলজি স্পেশালিস্ট বা এমসিটিএস-আইটি স্টাফদের জন্য, বিশেষত ইনস্টলিং, রক্ষণাবেক্ষণ ট্রাবলশুটিং খুবই উপকারী৷ সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের জন্য এটি নকশা করা হয়েছে যেমন এসকিউএল সার্ভার বিজনেস ইন্টিলিজেন্স, ডাটাবেজ তৈরি, এসকিউএল সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ন্ত্রণে এটি অত্যাবশ্যকীয়৷

. সিকিউরিটি পস্নাস : কম্পিউটার সিকিউরিটি পস্নাস মূলত সিকিউরিটি প্রফেশনালদের জন্য ডিজাইনকৃত৷ এখানে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা প্রদান না করা গেলেও সময়োপযোগী শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ যার মধ্যে রয়েছে সিস্টেম সিকিউরিটি, নেটওয়ার্ক অবকাঠামো, একসেস নিয়ন্ত্রণ, অডিটিং এবং অর্গানাইজেশনাল সিকিউরিটি বিষয়াবলী৷

. এমসিপিডি : মাইক্রোসফট সার্টিফাইড প্রফেশনাল ক্রিডেনশিয়াল মূলত ডেভেলপারের দক্ষতা, যোগ্যতা গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য তিনসত্মরের সাজানো নতুন প্রজন্মের সার্টিফিকেট৷ কোর্সে ডেভেলপারের সফটওয়্যার সংক্রান সমস্যার সমাধান সফটওয়্যার তৈরির ক্ষমতা যাচাই আধুনিকায়ন করা হয় যাতে ভিজু্যয়াল স্টুডিও ২০০৮ এবং মাইক্রোসফট ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক . যথাযথ ব্যবহারে পারদর্শী হয়৷ এতে মূলত ব্যবসায়িক কার্যাদি সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান দেয়া হয় আইটি কর্মকর্তাদের৷

. সিসিএনএ : সিসকো সার্টিফাইড ইন্টারনেট ওয়ার্ক এঙ্পার্ট বা সিসিআইই যদিও সিসকোর সব গৌরবের অংশীদার- তবে নতুন এই সিসকো সার্টিফাইড নেটওয়ার্ক এসোসিয়েট বা সিসিএনএ পূর্বের সকলের চেয়ে ভাল৷ সিসিআইই এর চেয়ে এটি বেশি আধুনিক সময়োপযোগী৷ সিসিএনএ টেকনো বিশেষজ্ঞদের নেটওয়ার্ক স্কিল উন্নয়নে সর্বাধিক সহায়তা সহ সর্বশেষ প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক জ্ঞান প্রদান করবে৷

. পস্নাস : বর্তমানে একসাথে হার্ডওয়্যার সাপোর্ট স্কিল সম্পন্ন আইটি এঙ্পার্ট পাওয়া মুশকিল৷ বিষয়ে সম্যক জ্ঞান নিতে দরকার এপস্নাস সমন্নয় আইটি এঙ্পার্ট৷ বর্তমানে সাপোর্ট বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তার শেষ নেই৷ তাই ডেস্কটপ ইন্সটলেশন, সমস্যা নির্ধারণ নিরূপণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা, পিসি বা নেটওয়ার্ক ঝামেলার সমাধা সহ বিভিন্ন মৌলিক সমস্যার সমাধান + প্রফেশনালদের বিকল্প নেই৷

০৭. পিএমপি : প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান বা পিএমআই এর সবচেয়ে ভাল সার্টিফিকেশন হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন৷ যা প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালদের জন্য খুবই উপকারী৷ সার্টিফিকেশনে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এঙ্পার্টদের দক্ষতার যাচাই সহ পস্ন্যান করা, নির্বাহী বাজেট টেকনো প্রজেক্ট পরিচালনা করার ব্যাপারে বাসত্মব সম্মত জ্ঞান দিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে তা যাচাই করা হয়৷ ফলে তা খুবই তাত্পর্যপূর্ণ তাই এই সার্টিফিকেশন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্টরে সর্বাধিক স্বীকৃত প্রমাণ দলিল৷

. এমসিএসই/এমসিএসএ : মাইক্রোসফটের এই সার্টিফিকেশন উইন্ডোজ পস্নাটফর্মে কাজ করার জন্য দরকারী৷ তাছাড়া সর্বক্ষেত্রের কিছু বিশেষ ধারণা এই সার্টিফিকেশন থেকে নেয়া যায়৷ মূলত উইন্ডোজ উইন্ডোজ সার্ভার যাবত পস্নাটফর্মের উপর সম্যক জ্ঞান দেয়া সহ প্রাথমিক আরও অনেক বিষয় এর আওতাভূক্ত৷

. সিআইএসএসপি : সার্টিফাইড ইনফরমেশন সিস্টেম সিকিউরিটি প্রফেশনাল মূলত সিকিউরিটি এঙ্পার্টদের ডিজাইনকৃত৷ এটি আনর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সিকিউরিটি সার্টিফিকেট যেখানে অপারেশন নেটওয়ার্ক ফিজিক্যাল সিকিউরিটির পাশাপাশি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, লিগ্যাল বিষয়াদি নিরাপত্তা সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ে সম্যক বাসত্মব জ্ঞান দেয়া হয়৷

১০. লিনাঙ্ পস্নাস : লিনাঙ্ বিষয়ে আরও আপটুডেট জানতে লিনাঙ্ পস্নাস এর বিকল্প নেই৷ রেডহাট, এসইউএসই বা উবুনটু সিস্টেম নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের জন্য এটা উপকারী৷

কথা সত্য যে দশটি সার্টিফিকেট সবচেয়ে আধুনিক যা প্রয়োজনীয় হিসেবে গণ্য করা হলেও এগুলোই সর্বাধিক সর্বশ্রেষ্ঠ থাকবে তা বলা মুশকিল৷ কেননা, এগুলোর পাশাপাশি এইচআইপিএএ বা সারবেনস্ এঙ্েেল (এসওএঙ্) সহ ভিওআইপি পিসি প্রস্তুতকারীদের সার্টিফিকেশনও অত্যন প্রয়োজনীয় তাত্পর্যপূর্ণ


আশরাফ সিদ্দিকী বিটু

মেরিন এক রোমাঞ্চকর পেশা

রবিউল কমল : নীল পানির রোমাঞ্চকর সাগরে আপনাকে স্বাগত। সাগর শাসন করা জাহাজের কা-ারি হয়ে আপনিও ঘুরতে পারেন দেশ-দেশান্তরের বড় বড় বন্দর। সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, মেরিন ফিশারিজ একাডেমি এবং দেশের বেশ ক’টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যারা পড়াচ্ছে নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর। নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সমুদ্র বন্দর ব্যবস্থাপনা, সমুদ্র বিষয়ক জ্ঞান, জাহাজ নির্মাণ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে সম্যক ধারণা প্রদান করা হয়ে থাকে। উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের এ বিষয় দুটিতে পড়ার সুযোগ থাকছে।
বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি : তিন বছর মেয়াদি নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ¯œাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করা যাবে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিতে। দুই বছর তাত্ত্বিক পড়াশোনা এবং এক বছর ‘অন জব ট্রেনিং’ মিলিয়ে তিন বছরে শেষ হবে ¯œাতক। নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করতে হবে এবং দুটিতেই জিপিএ থাকতে হবে ৩.৫। এছাড়া গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে আলাদা করে ৩.৫ গ্রেড পয়েন্ট এবং ইংরেজিতে ৩ গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে। দৈহিক উচ্চতা : ছেলেদের জন্য কমপক্ষে পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং মেয়েদের কমপক্ষে পাঁচফুট দুই ইঞ্চি। এছাড়া এ লেভেল সম্পন্ন শিক্ষার্থীকে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও ইংরেজিসহ পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম সি গ্রেড থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সাঁতার জানতে হবে। এই কোর্সের জন্য শিক্ষার্থীর খরচ হবে চার লাখ ১০ হাজার টাকা।

যোগাযোগ :www.macademy.gov.bd

মেরিন ফিশারিজ একাডেমি : চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমি থেকে এই কোর্স সম্পন্ন করতে হলে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করতে হবে। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ন্যূনতম ২.৫ জিপিএ থাকতে হবে। সেই সঙ্গে গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে ২.৫ গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে। এ-লেভেল সম্পন্ন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেও একই শর্ত অর্থাৎ ও-লেভেল এবং এ-লেভেল জিপিএ ২.৫। 
পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে ২.৫ গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে। দৈহিক উচ্চতা : ছেলেদের জন্য কমপক্ষে ১৬২ সেন্টিমিটার এবং মেয়েদের জন্য কমপক্ষে ১৫৫ সেন্টিমিটার। শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সাঁতার জানতে হবে। এছাড়াও বেশ কিছু বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও আছে নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ।

ইউনাইটেড মেরিন একাডেমি : ইউনাইটেড মেরিন একাডেমিতেও আছে নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ। এখানে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করতে হবে। দুটি পরীক্ষাতেই জিপিও থাকতে জিপিএ-৩.৫। 
এছাড়া গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে আলাদা করে ৩.৫ গ্রেড পয়েন্ট এবং ইংরেজিতে ৩ গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে। এ-লেভেল সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, ইংরেজিসহ পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম সি গ্রেড থাকতে হবে। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য খরচ হবে ১৪ লাখ টাকা। আর নটিক্যাল সায়েন্সের জন্য ১৩ লাখ টাকা।

যোগাযোগ :www.uma.edu.bd

ওয়েস্ট ওয়ে মেরিন একাডেমি : ওয়েস্ট ওয়ে মেরিন একাডেমিতে শিক্ষার্থীকে ভর্তি হতে হলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করতে হবে। জিপিএ থাকতে হবে ৩.৫। 
এছাড়া গণিত এবং পদার্থ বিজ্ঞানে শতকরা ৬০ নম্বর থাকতে হবে। দৈহিক উচ্চতা ছেলেদের জন্য কমপক্ষে পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং মেয়েদের জন্য কমপক্ষে পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চি। শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সাঁতার জানতে হবে। নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য খরচ হবে ১১ লাখ টাকা।

যোগাযোগ :www.wmabd.com

আটলান্টিক মেরিন একাডেমি : এখানে নটিক্যাল সায়েন্স এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করতে হবে। জিপিএ থাকতে হবে ৩.৫। 
গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে আলাদা করে ৩.৫ গ্রেড পয়েন্ট এবং ইংরেজিতে ৩ গ্রেড পয়েন্ট থাকতে হবে। দৈহিক উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি। শুধু তাই নয় শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সাঁতার জানতে হবে। প্রশিক্ষণকালে খরচ হবে ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

ভিডিও এডিটিং এ ক্যারিয়ার

সাইফুল ইসলাম শিবলু : ভিডিও এডিটিং এমন একটি পেশা, যেখানে সবসময়ই সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো সম্ভব। প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপগ্রেড করে নিতে পারলে আপনিও এ পেশায় জড়িয়ে থাকতে পারবেন সবসময়। এ পেশায় ক্যারিয়ারে খ্যাতি, সুনাম, পরিচিতির পাশাপাশি রয়েছে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি। বিশ¡ব্যাপীতো বটেই, বাংলাদেশেই রয়েছে এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার বিশাল ক্ষেত্র। আজকে একুশ শতকে দাঁড়িয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়া কতটা এগিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। ১৫ বছর আগেও মানুষ ভাবেনি ইলেকট্রনিক মিডিয়া এ পর্যায়ে চলে আসবে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বড় ক্ষেত্র হলো টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। ক্যারিয়ারের বড় ক্ষেত্রও এটি। ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার দারুন চ্যানেলে কাজ এখন সবচেয়ে আকর্ষণীয়। দেশে এখন একাধিক সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেল রয়েছে। প্রতিদিন টিভি চ্যানেলগুলোতে সংবাদের পাশাপাশি অসংখ্য অনুষ্ঠান, নাটক, ম্যাগাজিন প্রচারিত হয়। এসব অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেল ছাড়াও বিভিন্ন প্রযোজনা সংস্থাও নির্মাণ করে থাকে। এছাড়া টেলিভিশনে প্রচারিত বিজ্ঞাপনসমূহ নির্মাণ করে থাকে বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। দক্ষ ভিডিও এডিটররা উচ্চ বেতনে চলে যাচ্ছেন টিভি চ্যানেলগুলোতে। ফলে বেসরকারিভাবে যে অনুষ্ঠান নির্মাণের কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, সেখানে কাজের পদ খালি হচ্ছে। যার জন্য  ভিডিও এডিটিং জানা ছেলেমেয়েরা খুব সহজেই এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে। আমাদের  দেশে ভিজ্যুয়াল মিডিয়া সম্প্রসারণের সঙ্গে বাড়ছে ভিডিও এডিটরদের চাহিদাও। নূন্যতম এইচএসসি পাস হলে সংশি−ষ্ট প্রশিক্ষণ নিয়ে ভিডিও এডিটর হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায়। এ পেশায় সৃজনশীলতা থাকা খুবই জরুরি। টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পর্কেও স¡চ্ছ ধারণা থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে কী ধরনের বৈচিত্র্য আনা সম্ভব, সেই বিবেচনা শক্তি থাকা চাই। একজন ভিডিও এডিটরকে চোখ রাখতে হয় দেশ-বিদেশের টিভি পর্দায়। কোথায়, কোন অনুষ্ঠানে কী বৈচিত্র্য এলো,  সেদিকে তীক্ষœ নজর রাখতে হয়। চিত্রগ্রাহকদের ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ কাটছাঁট করে দৃশ্যের পর দৃশ্য সাজিয়ে দর্শকদের দেখার উপযোগী করে তোলাই ভিডিও এডিটরদের কাজ। দেশের সবগুলো টিভি চ্যানেলেই দক্ষ এডিটরদের কাজের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন এডিটিং ফার্ম। ফুলটাইম এবং পার্টটাইম দু\'ভাবেই ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করা যায়। কেউ চাইলে অন্য চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সে কাজ করতে পারেন ভিডিও এডিটর হিসেবে। এছাড়া  দেশের বাইরেও কাজের চাহিদা রয়েছে অনেক। ইউরোপ, আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি দেশেই আলাদা আলাদাভাবে রয়েছে কয়েকশ টেলিভিশন চ্যানেল। এসব টিভি চ্যানেলে নিজ দেশের দক্ষ জনবল নিয়ে কাজ করতে তাদের বড় অংকের ব্যয় বহন করতে হয়। সেখানে আমাদের মতো তৃতীয় বিশে¡র দক্ষ জনশক্তি দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম খরচে কাজ করানো যায়। ফলে আমাদের এ অঞ্চলের দক্ষ জনশক্তির জন্য বিশেষ করে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক টিভি মিডিয়ায় ভিডিও এডিটর হিসেবে চাকরি পাওয়া অনেকটাই সহজ। এসব  দেশে এ পেশায় বেতন কাঠামোও বেশ ভালো। কাজের দক্ষতার ওপর  বেতনের অংক নির্ভর করে থাকে। দেশে-বিদেশে যেখানেই কাজ করুন না কেন, সবার আগে দরকার এ বিষয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ। ভালো  কোনো প্রতিষ্ঠান  থেকে কাজ শিখে ছেলেমেয়েরা দেশেই ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা  বেতনে চাকরি জুটিয়ে নিতে পারবেন অবলিলায়। এর বাইরেও অবসরে অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন। সম্ভাবনাময় এ  সেক্টরে দক্ষ জনবল  তৈরিতে ইজি কমিউনিকেশন চালু করেছে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং কোর্স।  কোর্স পরিচালনা করবেন বিভিন্ন  টেলিভিশনে কর্মরত দক্ষ ভিডিও এডিটররা। কোর্স  শেষে থাকছে ইন্টার্নির সুযোগ। নূন্যতম এইচএসসি পাস  যে কেউ দু\'মাস  মেয়াদি এই কোর্স সম্পন্ন করে শুরু করতে পারেন সম্ভাবনাময় এক ক্যারিয়ারের পথচলা। বর্তমানে সময়ের চাহিদা অনুযায়ি ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল  ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (দিপ্তি) ভিডিও এডিটিং প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু করেছে। প্রফেশনাল প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ৩ মাস  মেয়াদি কোর্সটি সম্পূণর্ঞ্চ ব্যবহারিক ক্লাসভিত্তিক। এই  কোর্সটি সম্পন্ন করে একজন শিক্ষার্থী বিভিন্ন মিডিয়া হাউস ও ভিডিও এডিটিং প্রতিষ্ঠানে ভিডিও এডিটর হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ :

৬৪/৩,  লেকসার্কাস
(৪র্থ তলা), কলাবাগান, মিরপুর রোড, ঢাকা।
রুরাল ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট টেকনোলজি স¡ল্প কোর্স ফি-তে রুরাল ভিশন-এর অধীনে চালু করছে ভিডিও এডিটিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স। ৩য় তম ভিডিও এডিটিং কোর্সের আওতায় থাকবে - ডরহফড়ংি ীঢ়, ঢ়যড়ঃড়ংযড়ঢ় ঈঝ, অফড়নব ঠরফবড় ঈড়ষষবপঃরড়হ (ঈধসবৎধ, ঝঃরষষ চযড়ঃড়মৎধঢ়যু) ংঃধহফধৎফ অফড়নব চৎবসরৎব চৎড়, অফড়নব ঊহপড়ৎব উঠউ, অফড়নব অঁফরঃরড়হ, ঈড়ড়ষ ৩উ ঝঃঁফরড়, অফড়নব অভঃবৎ ঊভভবপঃং. কোর্সেও মেয়াদ ৩ মাস। কোর্স ফি ৬,০০০/- টাকা। গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্সের আওতায় থাকবে রিহফড়ংি ঢচ, ইধংরপ ঋরহব অৎঃং, চযড়ঃড়ংযড়ঢ় ঈঝ, ওষষঁংঃৎধঃড়ৎ ঈঝ, ঈড়ৎবষ উৎধ,ি ছঁধৎশ ঢঢ়ৎবংং. কোর্সেও মেয়াদ ৩ মাস। কোর্স ফি ৪,০০০/- টাকা। উরঢ়ষড়সধ-রহ-গঁষঃরসবফরধ কোর্সের আওতায় থাকবে এৎধঢ়যরপং উবংরমহ ধহফ ঠরফবড় ঊফরঃরহম কোর্সের মেয়াদ ৬ মাস। ফি ৮ হাজার। যোগাযোগ ৩৪ গ্রিনরোড ধানমন্ডি ঢাকা। 

হতে পারেন প্রচ্ছদ শিল্পী

কাভার বা প্রচ্ছদ ডিজাইন করা সৃষ্টিশীল মানুষের কাজ। তাই আপনি যদি সৃষ্টিশীল হয়ে থাকেন বা কল্পনা শক্তি যদি মোটামুটি ভালো হয়ে থাকে তাহলে আপনি আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন কাভার ডিজাইনার হিসেবে। একটা বইয়ের প্রচ্ছদ হলো এমন একটি জিনিস যা অনেকদূর হতে পাঠককে আকৃষ্ট করে। তাই প্রচ্ছদ করার আগে পুরো বইটি নিয়ে ভাবতে হয়। প্রচ্ছদ বইয়ের জন্য কতটা জরুরি তার সহজ ব্যাখ্যা দিলেন প্রচ্ছদশিল্পী সব্যসাচী মিস্ত্রী। তার মতে, পুরো বইয়ের সহজ অভিব্যক্তি ফুটে ওঠে প্রচ্ছদে। লেখক বইটিতে যে ব্যাপারটি বোঝাতে চেয়েছেন তা এক পাতায় রং-তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলতে হয় প্রচ্ছদশিল্পীকে। কাজটা কঠিন! তবে এ কঠিন কাজটি করেন প্রচ্ছদ শিল্পীরা। এ কারণে লেখক বা প্রকাশকদের কাছে প্রচ্ছদশিল্পীর চাহিদা সবসময়ই আছে। বই সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে গেলে লেখকদের প্রথম যে প্রশ্নটি শুনতে হয় তা হলো ‘আপনার বইয়ের প্রচ্ছদ কে করছে?’ এ থেকে বোঝা যায় একজন প্রচ্ছদ শিল্পীর কতোটা কদর। তরুণদের বইয়ের প্রচ্ছদ করা প্রসঙ্গে প্রচ্ছদ শিল্পী ধ্রুব এষ বলেন, ‘তরুণ প্রচ্ছদশিল্পীরাও অনেক ভালো কাজ করছেন, এ পেশায় আগের চেয়ে সম্মান ও সম্মানী দুই-ই বেড়েছে। তাই প্রচ্ছদ শিল্পীদের কদর আর একুশে বইমেলা কেন্দ্রিক নয়। বছরজুড়েই বই প্রকাশ হয়। এজন্য তাদের বছরজুড়েই কাজ থাকে।’
শুধু কি বইমেলায়? : অনেকের ধারণা, একুশের বইমেলার সময়েই শুধু প্রচ্ছদ শিল্পীদের কদর বাড়ে। সারাবছর তাদের অবসর। যারা এ ধরনের চিন্তা করেন তাদের জন্য তরুণ কার্টুনিস্ট মেহেদী হক বলেন, ‘একজন প্রচ্ছদশিল্পী তো শুধু প্রচ্ছদ করেন না, প্রচ্ছদ ছাড়াও একটা বইয়ের অনেক কাজ থাকে। যেমন অলংকরণ ও কার্টুন আঁকার মতো কাজ রয়েছে। কাজ করতে জানলে সারা বছরই একজন প্রচ্ছদশিল্পীকে ব্যস্ত থাকতে হয়। সুযোগ রয়েছে পত্র-পত্রিকায় কার্টুন আঁকারও। শুধু বইমেলায় কাজ করবেন, এমন চিন্তা থেকে প্রচ্ছদশিল্পী হওয়ার দরকার নেই। এর ক্ষেত্রটা অনেক বড়।’

ভালো করার উপায় : ইন্টারনেটের যুগে এখন আর হাতে-কলমে কিছু শেখার নেই। গুগল বা ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল আছে গ্রাফিকসের উপর। এগুলোতে চোখ বুলালে সহজেই প্রচ্ছদ নিয়ে একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে। আর নতু কিছু পাওয়ার জন্য বড় ভা-ার গুগল তো রয়েছেই। এ প্রসঙ্গে ধ্রুব এষ বলেন, ভালো প্রচ্ছদ শিল্পী হতে চাইলে ভালো পাঠক হতে হবে। প্রচুর পড়তে হবে। কম্পোজিশনের ধারণা ও জ্ঞান থাকতে হবে। সবার ওপরে একটা শিল্পী মন থাকতে হবে। কারণ জোর করে বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রচ্ছদশিল্পী হওয়া যায় না। তার কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেন সব্যসাচী মিস্ত্রীও। বইয়ের মুড বা ধরনটা বুঝতে হবে আগে। সেই অনুযায়ী লে-আউট করতে হবে। তারপর ফটোশপ বা অন্য কোনো সফটওয়্যারে ইফেক্ট ব্যবহার করে বা পা-ুলিপির ধরন অনুযায়ী প্রচ্ছদটা চূড়ান্ত করতে হবে।’ তবে যারা নতুন তারা অনায়াসে লেখক ও প্রকাশকের পরামর্শ নিতে পারেন।
শিখবেন নাকি? : প্রচ্ছদের কারিগর হওয়ার জন্য দেশে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। যাঁরা চারুকলার ছাত্র বা যাদের গ্রাফিকসে দখল আছে এবং তারা সৃজনশীল চিন্তা করতে পারেনÑ তারা অনায়াসে এঁকে ফেলতে পারেন প্রচ্ছদ। ধ্রুব এষ বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা অনুষদে এ বিষয়ে পড়াশোনা করা যাবে।’ এছাড়া গ্রাফিকস ডিজাইনের কোর্স করে একটা প্রাথমিক ধারণা নেয়া যাবে। মনে রাখতে হবে, প্রচ্ছদ গ্রাফিকস ডিজাইনেরই একটি অংশ। ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিকস ডিজাইন কোর্সে ভর্তি হলেই প্রচ্ছদ করা ও শেখা যাবে।
বিআইবিএমটিতে অনলাইনে আয়ের প্রশিক্ষণ
তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বিআইবিএমটিতে দুই মাস মেয়াদি অনলাইনে আয়ের প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে। দুই মাস মেয়াদি কোর্সটিতে জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং, টেমপ্লেট ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিং এবং গুগল এডসেন্স সম্পর্কিত বিস্তারিত বিষয়গুলো হাতে-কলমে শিখানো হবে। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের জন্য ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থাও রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ : বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (বিআইবিএমটি), ১৯/সি/৬, এন. ইসলাম টাওয়ার ৪র্থ তলা, রিং রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

পেশা যখন পাইলট



ছোটবেলায় পাইলট হওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের যোগ না হওয়ায় অধরাই থেকে গেছে স্বপ্ন। বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী ছাড়াও গ্যালাক্সি ও আরিরাং নিয়মিত পাইলট কোর্স করিয়ে থাকে। 

 যোগ্যতা যেমন চাই
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস হতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয় দুটি থাকতে হবে। পদার্থ ও গণিতে কমপক্ষে 'বি' গ্রেড থাকতে হবে। এ ছাড়া ইংরেজি বলা ও লেখায় দক্ষ হতে হবে। যাঁরা স্নাতক শ্রেণীতে পড়ছেন বা পাস করেছেন, তাঁরাও পাইলট কোর্সে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

সবার আগে ভর্তি পরীক্ষা
পাইলট কোর্সে ভর্তি হতে সবার আগে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এ পরীক্ষা হয় দুটি ধাপে_মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা। মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণত বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর প্রশ্ন করা হয়। এটি সংশ্লিষ্ট একাডেমী নিয়ে থাকে। আর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় সিভিল এভিয়েশন অনুমোদিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে।

লাগবে গ্রাউন্ড কোর্স
ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা পাইলট কোর্স করার যোগ্য বলে বিবেচিত হন। পাইলট হতে পেরোতে হয় তিনটি ধাপ। গ্রাউন্ড কোর্সের পর পেতে হয় এসপি বা স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স। এরপর পিপিএল (প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স), আর সবশেষে পেতে হয় সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। তিন মাসের থিওরি কোর্সে বিমানের কারিগরি এবং এয়ার ল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ ছাড়া এয়ারক্রাফট জেনারেল নলেজ, ফ্লাইট পারফরম্যান্স অ্যান্ড প্ল্যানিং, হিউম্যান পারফরম্যান্স অ্যান্ড লিমিটেশন, নেভিগেশন, অপারেশনাল প্রসিডিউর এবং প্রিন্সিপল অব ফ্লাইটের মতো বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।

সময় এবার উড়াল দেওয়ার
গ্রাউন্ড কোর্সের পর সংশ্লিষ্ট একাডেমী লিখিত পরীক্ষা নেয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরাসরি বিমান চালনার জন্য সিভিল এভিয়েশনে এসপিএল বা স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। আবেদনের পর সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএবি) পরীক্ষা নেয়। সিএএবির পরীক্ষা এবং সিএমবির (সার্টিফায়েড বাই দ্য মেডিক্যাল বোর্ড) স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল এসপিএল দেওয়া হয়। এ লাইসেন্স দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ ঘণ্টা বিমান চালনার সার্টিফিকেট অর্জন করে পিপিএল বা প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। এ সময় তিন মাসের থিওরি ক্লাসের সঙ্গে একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট (এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়া-আসা) চালানোর অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হয়। এরপর আবারও লিখিত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মেলে প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক বিমান চালানো যায় না। তাই পাইলট হিসেবে চাকরির জন্য প্রয়োজন সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স পেতে ১৫০ থেকে ২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ হতে হয় লিখিত ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায়। পাশাপাশি থাকতে হয় একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট চালানোর অভিজ্ঞতা ও তিন মাসের থিওরি কোর্সের সার্টিফিকেট। সিপিএল পাওয়া মানেই নিশ্চিত চাকরি।
কাজের ক্ষেত্র
বর্তমানে দেশে ও বিদেশে দক্ষ পাইলটের বেশ চাহিদা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (দি ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন) এক রিপোর্টে জানা যায়, বিমান সংস্থাগুলোর নতুন নতুন রুট চালু এবং পুরনো পাইলটদের অবসরে যাওয়ার ফলে প্রতিবছর ১৭ হাজার নতুন পাইলট প্রয়োজন হচ্ছে। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষ পাইলটের প্রয়োজন কতটুকু। এটি এমন এক পেশা, যেখানে চাকরিই প্রার্থী খোঁজে।

কোর্সের সময় ও খরচ
বৈমানিক কোর্স করতে দেড় থেকে সর্বোচ্চ তিন বছর লাগে। পিপিএল কোর্স করতে লাগে ছয় মাস। আর সিপিএল কোর্সে সময় লাগে এক বছর। বছরে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ও জুলাই-আগস্ট দুটি সেশনে বৈমানিক কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।
প্রতিষ্ঠানভেদে বৈমানিক কোর্সের খরচের কিছুটা তারতম্য হয়। সাধারণত পিপিএল ও সিপিএল কোর্স দুটি শেষ করতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কোর্স ফির বেশির ভাগই খরচ হয় ব্যবহারিক অর্থাৎ ফ্লাইং করতে। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ফ্লাইংয়ের জন্য খরচ পড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

কেমন আয়
যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি দিন দিন বিমানের সংখ্যা বাড়ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ বেসরকারি অনেক বিমান সংস্থায় বৈমানিকদের চাহিদা রয়েছে। এসব এয়ারলাইনসে বৈমানিকদের আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়। বৈমানিকদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টা হিসাবে। একজন সিপিএল লাইসেন্সধারী বৈমানিকের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। বিদেশি এয়ারলাইনসে এর পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।

প্রশিক্ষণ নেবেন কোথায়
বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশন লিমিটেড
বছরে দুটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ তিন বছর। কোর্স ফি ২০ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশন, হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (ভিভিআইপি টার্মিনালের ডানপাশে), উত্তরা, ঢাকা।

গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমী
বছরে তিনটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ ১৮ মাস। কোর্স ফি ২৮ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাড়ি-২০, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা।

আরিরাং এভিয়েশন
বছরে তিনটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ ১৮ মাস। কোর্স ফি ৩০ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাড়ি ৪২, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর ৭, উত্তরা,ু ঢাকা।

জাহাজের ক্যাপ্টেন

৪৯তম ব্যাচে ক্যাডেট ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমী। তিন বছরের এ কোর্সে মোট ২৭৫ জনকে ভর্তি করা হবে। তাঁদের মধ্যে ২০ জন মেয়েও ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতা
বাংলাদেশ মেরিন একাডেমীতে আবেদনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করতে হবে। উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ৩.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। এ ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থ ও গণিত বিষয়ে আলাদাভাবে ৩.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। ইংরেজি বিষয়ে কমপক্ষে ৩.০০ জিপিএ অথবা আইইএলটিএস স্কোর হতে হবে ৫.৫।
এ ছাড়া ক্যাডেট হওয়ার জন্য শারীরিক সক্ষমতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মেরিন ক্যাডেট হিসেবে ছেলেদের কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ও মেয়েদের ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানে দৃষ্টিশক্তির ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মেনে ক্যাডেট ভর্তি করা হয়। মেরিন ক্যাপ্টেন হওয়ার জন্য ৬/৬ এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি ৬/১৮ হতে হবে। এসবের বাইরে আবেদনকারীকে অবশ্যই সাঁতার জানতে হবে।

অনলাইনে আবেদন
এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে চাইলে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন ফরমের জন্য সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইটে (www.sonalibank.com.bd) যেতে হবে।
এরপর ওয়েবসাইটের নিচের দিকে Marine Academy online registration form লেখায় ক্লিক করতে হবে। যে ফরমটি আসবে, তা সঠিকভাবে পূরণ হলে সিরিয়াল নম্বরসহ একটি ই-টোকেন আসবে। সেটি প্রিন্ট করিয়ে নিতে হবে। কারণ ভর্তির আগ পর্যন্ত এটি ছাত্রের পরিচয় হিসেবে কাজ করবে।

পরীক্ষার ফি
প্রবেশপত্রের জন্য ই-টোকেনসহ আরো কিছু কাজ করতে হবে। ই-টোকেনের একটি ফটোকপি, এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পরীক্ষা ও ব্যাংক ফি বাবদ এক হাজার ৬০ টাকা সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় জমা দিতে হবে। ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এসব কাগজপত্র ঠিকমতো পেলে আবেদনকারীকে লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রদান করবেন।

লিখিত পরীক্ষা
১৬ সেপ্টেম্বর লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র এবং আসনবিন্যাস www.macademy.gov.bd ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। আর ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার চারটি, চট্টগ্রামের দুইটি এবং রাজশাহী ও খুলনার একটি কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে। ২ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে।

স্বাস্থ্য ও মৌখিক পরীক্ষা
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এরপর অংশ নিতে হবে শারীরিক ও মৌখিক পরীক্ষায়। মেরিন একাডেমীতেই অনুষ্ঠিত হবে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই ও সাঁতার পরীক্ষা। এ ধাপ দুটি পেরোনোর পর অনুষ্ঠিত হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের পাশাপাশি মেরিন একাডেমীর নির্দিষ্ট কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রথম ২৭৫ জন স্বাস্থ্য পরীক্ষার মুখোমুখি হবেন।

খরচ পড়বে চার লাখ টাকা
তিন বছরের এই কোর্সটি শেষ করতে সব মিলিয়ে চার লাখ ১০ হাজার টাকা খরচ হবে। এই টাকা খরচ করা হবে ক্যাডেটের পড়াশোনা, থাকা-খাওয়া এবং পোশাকের খরচ হিসেবে।

যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়
সমুদ্রগামী জাহাজের বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে। যেমন_জাহাজ চালনা, নৌ-প্রকৌশল, ইলেকট্রনিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অথবা হোটেল সার্ভিস ইত্যাদি। তিন বছরের কোর্স শেষে এসব বিভাগের যেকোনো একটিতে যোগ দেওয়া যায়। তবে যাঁরা প্রি-সি নটিক্যাল সায়েন্সে পড়াশোনা করেন, তাঁরা জাহাজ চালনা বিভাগে যোগদান করুন। প্রি-সি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পন্নকারীরা নৌ-প্রকৌশল বিভাগে যোগ দিন।

পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি
কোর্সটিতে দুই বছরের তাত্তি্বক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এক বছর সরাসরি সমুদ্রগামী জাহাজে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই এক বছরে প্রতিটি ক্যাডেট মাসিক ৪০০ থেকে ৫০০ ডলার বেতন পাবেন (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা)। 

কোর্স সম্পন্ন করার পর সাত থেকে আট বছরের মধ্যে জাহাজের ক্যাপ্টেন অথবা চিফ ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ রয়েছে। একজন ক্যাপ্টেন অথবা চিফ ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক বেতন ১০ থেকে ২০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় আট লাখ ২০ হাজার থেকে ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা)।

কাজের ক্ষেত্র
তিন বছরের কোর্স শেষে একজন ক্যাডেট লাভ করবেন প্রি-সি মেরিন (মার্চেন্ট মেরিন) সার্টিফিকেট। সমুদ্রগামী জাহাজ ছাড়াও দেশি-বিদেশি নৌ বন্দর, জাহাজ ব্যবস্থাপনা সংস্থা, পাওয়ার প্লান্টেও কাজের সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া রয়েছে জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, দেশি-বিদেশি তেল কম্পানিসহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় কাজের সুযোগ।